পাপ করেও যে মানুষ আল্লাহর প্রিয়
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
ঘোষণা শেষ হতে না হতেই এক নারী দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুললেন। নারীটি বলেন, ‘হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর কিতাব বেশি অনুসরণযোগ্য, নাকি আপনার ঘোষণা?’
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
হেরা গুহার সেই ‘ইকরা’র ডাককে পাড়ার পাঠকেন্দ্রর মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার অভিজ্ঞতা এবং একটি আদর্শ মুসলিম পাঠকেন্দ্র গড়ে তোলার নির্দেশিকা।
কারও ব্যক্তিগত চ্যাটের কথোপকথন, বহু বছর আগের কোনো ভুল মন্তব্য, বা অসতর্ক মুহূর্তের কোনো বার্তার ছবি তুলে অনলাইনে ভাইরাল করে দেওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
কারও আচরণে আপত্তি থাকলে তা শালীন ভাষায় তুলে ধরা, প্রয়োজন হলে আইনগত সমাধান চাওয়া যায়। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া চরিত্র হনন ইসলামি নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
একজন লেখক যখন কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কনটেন্ট লিখে দেন, চুক্তি স্বচ্ছ এবং উভয় পক্ষের সম্মতি আছে—শরিয়তের দৃষ্টিতে এতে আপত্তির জায়গা নেই।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
দুঃখকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার যে সহজাত প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানুষ তা দিন দিন হারিয়ে ফেলছে এবং সামান্য আঘাতেই চিকিৎসকের চেম্বার বা থেরাপির দিকে ছুটছে।