খাদ্য সুরক্ষায় ইসলামের ৫ রূপরেখা
মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল চরম সংযমী ও কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ। তিনি এবং তাঁর পরিবারবর্গ প্রায়ই রাতের পর রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটাতেন
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল চরম সংযমী ও কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ। তিনি এবং তাঁর পরিবারবর্গ প্রায়ই রাতের পর রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটাতেন
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের দৃষ্টিতে জ্ঞান ও আমল পৃথক নয়। জ্ঞান দায়িত্ব সৃষ্টি করে এবং আমল সেই জ্ঞানকে পরিশুদ্ধ ও বাস্তবায়িত করে। এই নিবন্ধে জ্ঞান ও কর্মের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক ও সমাজ নির্মাণে এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এক বৃদ্ধ নারী এসে বললেন, ‘আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমাকে বেহেশতবাসী করেন।’ নবীজি (সা.) মৃদু হেসে বললেন, ‘কোনো বৃদ্ধা তো বেহেশতে যাবে না।’
মার্জিত আচরণ মানুষের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে; পক্ষান্তরে অশোভন ও রুচিহীন আচরণ মানুষের ব্যক্তিত্বকে ধ্বংস করে দেয়।
ইসলাম কোনো হারাম কাজকে হারাম বলতে নিষেধ করেনি। মদ্যপান, জুলুম, সুদ, ব্যভিচার, ঘুষ কিংবা অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং সতর্ক করা অবশ্যই প্রয়োজন।
ইসলামের প্রশ্ন হলো, সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে? অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না? সম্পদ কি একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছে?
বিশ্বে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ প্রতি রাতে অনাহারে ঘুমাতে যায়। এই খাদ্যাভাব কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল নয়; বরং ত্রুটিপূর্ণ বণ্টনব্যবস্থা ও অতিভোগবাদের সম্মিলিত সংকট।
মদিনা থেকে ইয়েমেনের পথে বিদায় জানানোর সময় নবীজি এমন কিছু কথা বলেছিলেন, যেন এ-ই তাঁদের শেষ দেখা। হয়তো ফিরে এসে আর তাঁকে দেখতে পাবেন না।
‘আল্লাহ বোধহয় আমাকে আর ক্ষমা করবেন না’, ‘আমার দ্বারা ভালো কিছু সম্ভব নয়’—জীবনের কঠিন সময়ে এমন হতাশা আমাদের অনেকের মনেই ভর করে।
মদিনায় পৌঁছে রাসুল (সা.) নতুন নগরবাসীকে কী বার্তা দিয়েছিলেন? মাত্র চারটি গভীর মানবিক মূলনীতির ওপর তিনি গড়ে তুলেছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ইনসাফপূর্ণ ও শান্তির সমাজ।
সমস্যা সৃষ্টি হয় তখন, যখন নিছক সৌন্দর্য প্রদর্শনের তাড়নায় সীমা অতিক্রম করে মানুষের আল্লাহপ্রদত্ত স্বাভাবিক শারীরিক গঠনকে কৃত্রিম ও স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা হয়।
মদিনা ও তার আশপাশের পাহাড়ি উপত্যকায় (বিশেষ করে ওয়াদি আকিক অঞ্চলে) আবিষ্কৃত অষ্টম শতাব্দীর প্রাচীন পাথুরে শিলালিপিতে এই শহরকে স্পষ্টভাবে ‘তাইয়িবা’ নামের উল্লেখ করা হয়েছে।