মদিনাকে কেন ‘তাইয়িবা’ বলা হয়
মদিনা ও তার আশপাশের পাহাড়ি উপত্যকায় (বিশেষ করে ওয়াদি আকিক অঞ্চলে) আবিষ্কৃত অষ্টম শতাব্দীর প্রাচীন পাথুরে শিলালিপিতে এই শহরকে স্পষ্টভাবে ‘তাইয়িবা’ নামের উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
মদিনা ও তার আশপাশের পাহাড়ি উপত্যকায় (বিশেষ করে ওয়াদি আকিক অঞ্চলে) আবিষ্কৃত অষ্টম শতাব্দীর প্রাচীন পাথুরে শিলালিপিতে এই শহরকে স্পষ্টভাবে ‘তাইয়িবা’ নামের উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম প্রাণীর মধ্যেও আল্লাহ-তাআলা যে নিখুঁত ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা ও হেকমত রেখেছেন, তা নিয়ে চিন্তা করলেই মানুষের সামনে সৃষ্টিকর্তার কুদরত আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নামাজ বা প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকাকালে মানব মস্তিষ্ক কীভাবে স্রষ্টার সঙ্গে এক জীবন্ত সংলাপে যুক্ত হয়, তা আধুনিক গবেষণায় বিশদভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে ভাষা, জ্ঞান ও নৈতিকতার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে লেখক মুসা আল হাফিজ দেখিয়েছেন, কীভাবে শব্দচয়ন ও ভাষাগত পরিবর্তন সভ্যতার চিন্তা ও বিশ্বদৃষ্টি গড়ে তোলে।
দৃশ্যমান এই বিশ্বজগতের বাইরে এক পরম পবিত্র, নিষ্কলুষ ও পরাক্রমশালী জগৎ রয়েছে, যার বাসিন্দারা হলেন মহান আল্লাহর অনন্য সৃষ্টি ‘মালাইকা’ বা ফেরেশতাকুল।
নামাজে দাঁড়িয়ে মনে হয়, শুধু যান্ত্রিকভাবে রুকু–সেজদা করে যাচ্ছি; কী পড়ছি খবর নেই। কারও মনে হতাশার জন্ম নেয়, এমন নামাজ পড়ে কী লাভ?
মানুষের ভালো উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো, কাউকে হতাশার গহ্বর থেকে টেনে তোলা এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া কেবল মানবিক শিষ্টাচার নয়, এটি খাঁটি নববি চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।
নবীজি এসেছিলেন মানুষের জন্য বুকভরা আশার বার্তা নিয়ে। আল্লাহ তাই তাঁর পরিচয়ে বলেছেন, “হে নবী, আপনাকে তো পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে।”
হেদায়েত আল্লাহ–তাআলার এক বিশেষ দান। যে অন্তর সততা, খোদাভীতি ও বিনয় নিয়ে কোরআনের মুখোমুখি হয়, শুধু সে অন্তরই কোরআনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে পারে।
জীবনে হঠাৎ নেমে আসা অন্ধত্ব বা পক্ষাঘাতের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে পরিবার ও ব্যক্তিকে মানসিক সাহস জোগাতে সমবেদনা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা গড়ে উঠেছিল তখন।
যেখানে পাপকর্মে লিপ্ত হওয়ার সব সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সংযত রাখা এবং প্রবৃত্তির চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়াই হলো খাঁটি মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য।
প্রাচীন কোরাইশ সমাজে কায়িক শ্রম নিয়ে একধরনের অভিজাত অবজ্ঞা ছিল, একে দুর্বলদের কাজ মনে করত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনে তিনি জীবিকার পথ বেছে নেন।