যেভাবে বেড়ে ওঠেন নবীকন্যা ফাতেমা
পাথরের ভারী জাঁতা ঘুরিয়ে যব পিষতে পিষতে তাঁর কোমল হাতে কড়া পড়ে গিয়েছিল; চামড়ার মশকভর্তি পানি বয়ে আনতে গিয়ে বুকে দাগ হয়ে গিয়েছিল।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
পাথরের ভারী জাঁতা ঘুরিয়ে যব পিষতে পিষতে তাঁর কোমল হাতে কড়া পড়ে গিয়েছিল; চামড়ার মশকভর্তি পানি বয়ে আনতে গিয়ে বুকে দাগ হয়ে গিয়েছিল।
আল্লাহর রাজত্বে অণু পরিমাণ অবিচারও উপেক্ষিত থাকে না। সৃষ্টির প্রতিটি স্পন্দনের হিসাব যেমন তাঁর কাছে রয়েছে, তেমনি অবলা প্রাণীর দীর্ঘশ্বাসও বৃথা যায় না।
কনেপক্ষ নিজেদের আভিজাত্য প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে লাখ লাখ বা কোটি টাকার দেনমোহর দাবি করে। বরপক্ষও ভাবে, ‘দেনমোহর তো শুধু কাগজে লেখার বিষয়, কে আর দেয়!’
মানুষ স্বাধীনভাবে জন্মেছে। আল্লাহ তাকে ভালো ও মন্দের পথ চেনাতে সক্ষম করেছেন। তাই ইসলামে মানুষের ওপর কোনো জোরজবরদস্তি নেই। এটিই ইসলামের মূল বাণী।
অসুস্থতার কষ্টের মধ্যেও ইসলাম নামাজ ছাড়ার অনুমতি দেয়নি। এক্ষেত্রে বসে, শুয়ে, এমনকি ইশারায় নামাজ পড়ার সুযোগ তো ইসলামে আছেই।
এমনকি আবু বকরের নিজের যোগ্য সন্তানেরাও তখন মদিনায় উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তিনি নিজের পরিবার কিংবা গোত্রের কাউকে উত্তরাধিকারী করার কথা ভাবেননি।
রাসুল (সা.) মসজিদে প্রবেশ করে বন্দীর দিকে তাকাতেই তাঁকে চিনতে পারলেন। তিনি সাহাবিদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কি জানো, কাকে বন্দী করে এনেছ?’
তাঁদের যোগ্যতা এক ছিল না। দায়িত্বও এক ছিল না। কিন্তু প্রত্যেকের মধ্যে রাসুল (সা.) এমন কিছু দেখেছিলেন, যা অন্যরা হয়তো তখনো দেখতে পায়নি।
ইসলামের অন্যতম মৌলিক উদ্দেশ্য হলো মানুষের ধনসম্পদের সুরক্ষা (হিফজুল মাল)। কোনো অবস্থাতেই অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
একজন মানুষের চরিত্র বোঝার অন্যতম বাস্তব ক্ষেত্র হলো তার প্রতিবেশীর সঙ্গে আচরণ। কারণ, প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চরিত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
কোনো ব্যবসায় প্রথম টাকাটি খাটাতে যাওয়ার আগে একজন বিশ্বাসী মানুষের মনে এই স্পষ্ট উদ্দেশ্য থাকা দরকার যে সে আসলে কী অর্জন করতে চায়।
মতভেদ তখনই কল্যাণকর, যখন তা যৌথভাবে সত্যের তলব করে। কিন্তু বিরোধ জন্ম নেয় তখন, যখন সত্যের পরিবর্তে ব্যক্তি, দল বা মতবাদ নিজেই মাকসাদে পরিণত হয়।