‘ইহসান’ করো, যেমন আল্লাহ শিখিয়েছেন
আল্লাহ যখন মানুষকে জীবন, আলো, বাতাস আর রিজিক দান করেন, তখন তিনি কোনো কার্পণ্য করেন না। কোনো বিনিময়ের শর্ত ছাড়াই তিনি বান্দার ওপর করুণার বারিধারা বর্ষণ করেন।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
আল্লাহ যখন মানুষকে জীবন, আলো, বাতাস আর রিজিক দান করেন, তখন তিনি কোনো কার্পণ্য করেন না। কোনো বিনিময়ের শর্ত ছাড়াই তিনি বান্দার ওপর করুণার বারিধারা বর্ষণ করেন।
যার অন্তর ভালো ও নরম, সে আল্লাহর কথা শুনে সহজেই ভালো কাজের দিকে এগিয়ে যায়। আর যার অন্তর শক্ত ও খারাপ, তাকে যতই ভালো কথা বলা হোক, তাতে খুব বেশি লাভ হয় না।
প্রথম ও প্রধানতম শর্ত হলো তার ঐতিহাসিক সত্যতা। যিনি অনুকরণীয় হবেন, তাঁর জীবনের প্রতিটি ঘটনা, বাণী, দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপদ্ধতি নিরেট সত্য হতে হবে
বার্ধক্যের ছাপ গোপন করার উদ্দেশ্যে কালো খেজাব ব্যবহার করা এবং অকালপক্বতার কারণে সাদা হয়ে যাওয়া চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এক বিষয় নয়।
আল্লাহর ভয় মানে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকা নয়। এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, তিনি আমার কথা ও কাজ জানেন এবং তাঁর অবাধ্যতার জবাবদিহি আমাকে করতে হবে।
কোনো মা-বাবা যদি সন্তানকে দিনভর সত্য কথা বলার উপদেশ দেন, অথচ নিজেরা কথায় কথায় মিথ্যা বলেন—তবে শিশুর চোখে সেই উপদেশের কোনো মূল্য থাকে না।
ইবনে খালদুনের শিক্ষাদর্শনে জ্ঞানকে জন্মগত বৈশিষ্ট্য না দেখে অভিজ্ঞজাত দক্ষতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি শিক্ষাদানকে তিন পর্বে সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং শারীরিক শাস্তির বিরোধিতা করেছেন।
যে বন্ধু বিপদে পাশে দাঁড়ায়, দেখা হলে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কোনো ভুল হলে স্নেহভরে সংশোধন করে দেয়, ইসলামি জীবনদর্শনে সে-ই তো প্রকৃত বন্ধু।
আমাদের পূর্বসূরি মনীষীরা খুব ভালো করে উপলব্ধি করেছিলেন যে অন্তরের পবিত্রতা রক্ষা করতে হলে মুখের দরজায় কড়া পাহারা বসাতে হবে।
চালচলন, খাদ্যাভ্যাস, পারিবারিক আচরণ থেকে শুরু করে ব্যবসা ও সামাজিক লেনদেন—সবকিছুতেই নবীজির সুন্নতের অনুসরণই আল্লাহর প্রিয় হওয়ার একমাত্র পথ।
নবীজি (সা.) একজনের হাঁচির জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বললেন, কিন্তু অপরজনের কোনো জবাব দিলেন না। বাদ পড়া ব্যক্তি জানতে চাইলেন, কেন তার হাঁচির জবাব দিলেন না।
জুয়ার ঋণ শোধ করতে কিংবা পুনরায় বাজি ধরার অর্থের জোগান দিতে গিয়ে ব্যক্তি ধীরে ধীরে ভয়ংকর অপরাধের পথে পা বাড়ায়।