নবীজি যেভাবে ক্ষমা করতেন
ক্ষমা মানুষের সর্বোচ্চ নৈতিক গুণ, যা অন্তরের সংকীর্ণতা ও প্রতিশোধপরায়ণতা দূর করে প্রশান্তি আনে। প্রতিশোধ নেওয়া মানবীয় স্বভাব হলেও তা জয় করে ক্ষমা করাই প্রকৃত মহত্ত্ব।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
ক্ষমা মানুষের সর্বোচ্চ নৈতিক গুণ, যা অন্তরের সংকীর্ণতা ও প্রতিশোধপরায়ণতা দূর করে প্রশান্তি আনে। প্রতিশোধ নেওয়া মানবীয় স্বভাব হলেও তা জয় করে ক্ষমা করাই প্রকৃত মহত্ত্ব।
এই দশজনের জীবনযাত্রা একরকম ছিল না। দুনিয়ার চোখে তাঁদের অনেকেই ছিলেন সাধারণ নারী। কিন্তু আসমানে তাঁদের মর্যাদা ছিল অসাধারণ।
বেচাকেনার ক্ষেত্রে মাপ ও ওজনের ব্যাপারে সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য পরিমাণ কম দেওয়াকেও হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।
মক্কায় তখন জাহেলিয়াত। কাবাঘর ঘিরে প্রতিদিন নানা গোত্রের মানুষের আনাগোনা; আর জীবিকার তাগিদে কোরাইশের বাণিজ্য কাফেলা ছুটে যেত সুদূর সিরিয়ার পথে।
নবীজির দয়ার ছায়া থেকে বঞ্চিত হয়নি কোনো অবলা পশু বা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কীটপতঙ্গও। নতার সুন্নতের আলোকে প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধর সাতটি শিক্ষা তুলে ধরা হলো।
পৃথিবীর সম্পদ তথা মাটি, পানি, বন, খনিজ, পশুসম্পদ, সমুদ্র ও নানা প্রাকৃতিক উপাদান মানুষের সামনে পড়ে আছে। এগুলো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রেখে দেওয়া ইসলামের উদ্দেশ্য নয়।
হাদিস থেকে বোঝা যায়, নবীজির টুপিতে বৈচিত্র্য ছিল, তাই একটি নির্দিষ্ট রং বা ধরনকে অপরিহার্য ভাবার সুযোগ নেই। তবে নবীজির সাদা পোশাক পছন্দের কথা বর্ণিত আছে।
আল-মাক্কারি: হারিয়ে যাওয়া আন্দালুসিয়ার শেষ কণ্ঠস্বর
অনেক সময় নিয়ামত স্বাভাবিক বিষয় মনে করে যে এগুলোর প্রকৃত মূল্যই উপলব্ধি করি না। অথচ এসব নিয়ামত কত দিন থাকবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দর্শনে জ্ঞান (ইলম) ও প্রজ্ঞার (হিকমাহ) পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, জ্ঞান কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়, বরং প্রজ্ঞা হলো সেই তথ্যের সঠিক স্থাপন ও নৈতিক ব্যবহার।
একজন মানুষ কীভাবে কথা বলে, শব্দ নির্বাচনে কতটা সতর্ক থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় আলাপে কতটা সংযম বজায় রাখে, তা দিয়েই নির্ধারিত হয় তার আত্মিক গভীরতা ও চরিত্রের মান।
শাসন ছাড়া সন্তানের নীতিবোধ তৈরি হয় না, আবার ভালোবাসাহীন শাসন শিশুর আত্মাকে ভেঙে দেয়। তাঁরা নিয়ম তৈরি করেন স্নেহের ভাষায়, ভুলত্রুটি ক্ষমা করেন পরম মমতায়।