মক্কা-মদিনা কেন মুসলমানদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ
মক্কার হারামে এক রাকাত নামাজের সওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি এবং মদিনার মসজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক হাজার গুণ বেশি।
মক্কার হারামে এক রাকাত নামাজের সওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি এবং মদিনার মসজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক হাজার গুণ বেশি।
বন্যায় কাবাঘরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সংস্কারে কোরাইশ নেতাদের নেয়া নীতি, ভাঙা-বাছা ও হাজরে আসওয়াদ স্থাপনে দ্বন্দ্ব—শেষ পর্যন্ত আল আমিন মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রস্তাবে অনিবার্য যুদ্ধের হাত থেকে মক্কাবাসী কীভাবে রক্ষা পেল, সেই ঘটনাই এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
নতুন হিজরি বছর উপলক্ষে পবিত্র কাবার পুরোনো গিলাফ বদলে নতুন গিলাফ বা কিসওয়া পরানো হয়েছে।
একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।
প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।
কাবা তাওয়াফ করা হজের অংশ।
কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।
কারও সঙ্গে আমার পরিচয় নেই, অথচ মনে হচ্ছে এদের আমি জন্মান্তর ধরে চিনি। তুর্কি, চেচেন, তাজিক, আফ্রিকান আর আরবদের অভিন্ন পরিচয়—তারা মুসলিম।
হজের সফরে বাহ্যিক ও আত্মিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকওয়া ও ইবাদতের সঠিক জ্ঞান থাকলে হজ মাবরুর হয় এবং জীবন বদলে যায়। হজ প্রশিক্ষক গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী দিচ্ছেন পরামর্শ।
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।
আল্লাহর ঘরকে ‘বায়তুল আতিক’ বা প্রাচীন ঘরও বলা হয়। ভৌগোলিক মানচিত্র অনুযায়ী এই ঘরের অবস্থান পৃথিবীর কেন্দ্রে। কাবার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ।
কাবার গিলাফকে বলা হয় ‘কিসওয়া’। এটি সবসময় কালো ছিল না, বিভিন্ন সময় সাদা, সবুজ বা লাল রঙেরও পরানো হয়েছে। কাবা সম্পর্কে আরও জানুন এই ৬টি তথ্য।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।
দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।