ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের, তেল
ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছে তেহরান।
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
হরমুজ প্রণালিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এলাকা’ হিসেবে দেখানো মানচিত্র প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই মন্তব্যে ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেশটির সরকারকে দুর্বল করার হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সতর্কবার্তা দিল তেহরান।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এখনই শেষ করার সময় এসেছে এবং ইরান এখন ‘শক্তিশালী অবস্থানে’ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দরপতন ও অনিশ্চয়তার প্রভাবে সোনার দাম টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো বাড়ছে; গতকাল স্পট মার্কেটে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৩১ ডলার ৯৯ সেন্ট পর্যন্ত উঠেছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে খাদ্য ও পানির সংকট, দূষণ ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।
ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরুর হুমকি ট্রাম্পের।
ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অর্থনৈতিক আঘাত হানার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সরাসরি সামরিক সংঘাতের বদলে এখন অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে লিপ্ত ওয়াশিংটন ও তেহরান।
গত বুধবার ট্রাম্প বলেন, ইরানকে সহায়তা করে বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করে—এমন যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ’ অর্থনৈতিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
যুদ্ধে হতাহতের তথ্যভান্ডারে ৫০ জনের বেশি সেনার নাম যুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ কয়েক মাস ধরে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’ নামে একটি অভিযান চালিয়ে আসছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে—এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ইরানের জন্য সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে কোনো অন্তর্বতী চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছুক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না’।
আগস্টের ৩০ তারিখ থেকে বিশকেক ও নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনগুলো ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার হরমুজ প্রণালি সংকট নিরসনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলবে বলে মনে করেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক এবং এর প্রভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বর্তমান মেয়াদে সর্বনিম্ন ৩৩ শতাংশে নেমেছে।
হরমুজ প্রণালির আশপাশের ইরানি ভূখণ্ডে সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের মধ্যে ইরানি বন্দর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা ছিল
যুদ্ধের কৌশলে সমুদ্র কীভাবে দর-কষাকষির ক্ষমতা বদলে দেয়, ইরান ও ইউক্রেনের উদাহরণে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
হরমুজ ব্যবস্থাপনার জন্য ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে ইরান।
ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ইরানের ওপর নৌ অবরোধ বজায় রাখতে পারে।