মার্কিন সেনাসদস্য হত্যা বা আটকের জন্য পুরস্কার ঘোষণা ইরানের
মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে কথিত অভিযানগুলো ঠিক কোথায় বা কখন চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে হাতামি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।
মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে কথিত অভিযানগুলো ঠিক কোথায় বা কখন চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে হাতামি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।
চাপ তৈরি করার জন্য ট্রাম্প ইরানকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছেন।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে টানা ২০০ দিন অবস্থান ও নাবিকদের মানসিক চাপের খবরের মধ্যে দেশে ফিরছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন।
কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি সংকটের মধ্যেও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ। তেল আমদানি কমানো, মজুত থেকে ছাড়, রপ্তানি সীমিত করা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিয়ন্ত্রণ—এসব কৌশল বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে বলে বলা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘাত তীব্র হয়েছে; পরাজয় মেনে নিতে বলা হয়েছে ওয়াশিংটনকে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে।
নাবিক ও ক্রুদের মধ্যে আত্মহত্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাঁদের পরিবার ও সহকর্মীরা।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস হয়েছে, যা তাদের মোট ড্রোন বহরের প্রায় ২৫ শতাংশ।
তুরস্কে ট্রাম্পের নিরাপত্তা ও যাতায়াতের খুঁটিনাটি তথ্য আতঙ্কিত করে তোলে তাঁর পুরো দলকে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অচলাবস্থা চলছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পাঁচ মাসের বেশি সময় পার হলেও সংঘাত অবসানের চুক্তির সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। এই প্রেক্ষাপটে ইরান কীভাবে ‘শাসনের টিকে থাকা’কে কেন্দ্র করে সমঝোতার কৌশল নেয়—সেটি তুলে ধরা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা না কাটলে ইরানের বন্দরগুলোতে ‘অনির্দিষ্টকাল’ নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশটি দাবি করছে, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। তবে ইরানের অবস্থান, নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই এবং তেহরানের শর্ত না মানলে জলপথ খোলা হবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের এক বর্তমান কর্মকর্তা ও দুই সাবেক কর্মকর্তাসূত্রে রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েল থেকে আসা হুমকি-সংক্রান্ত তথ্য এবং তা যাচাইয়ের সীমাবদ্ধতা—ট্রাম্পের বিমান বদলের ঘটনার প্রেক্ষাপটও তৈরি করেছে।
ইরানের বাসিজপ্রধানের দাবির ঠিক এক দিন আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা মহলে ইসরায়েলি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতাকে ‘খুবই নিম্নস্তরের’ বলে বিবেচনা করা হয়েছিল।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ।
সাংবাদিকেরা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয় আগেই ধারণা করতে পেরেছিলেন বলে জানান স্ল্যাটারি।
৮ জুলাই হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, ট্রাম্প এয়ারফোর্স ওয়ানে করেই যুক্তরাজ্যে যাবেন।
তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করে সৌদি আরব। গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুতে পাল্টা সমর্থন না পাওয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কায়রোর ঘনিষ্ঠতা—এসব কারণে রিয়াদের হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তিনটি সৌদি সূত্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গোপনীয়তা বজায় রেখে চলাচল আর ট্রাম্পের ক্যাটারিং ট্রাকের ভেতরে লুকিয়ে এক উড়োজাহাজ থেকে আরেক উড়োজাহাজে যাওয়ার বিষয়টি লোকে এক চোখে দেখছে না।
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
ওমরাহ শেষে সাফসুতরো হয়ে মক্কার আল-সাফা রাজপ্রাসাদের দরবারকক্ষে এলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এক দিন আগেই আঙ্কারা থেকে পৌঁছেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিন নেতা ৭ আগস্ট দুপুরে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন।