বসতভিটা না থাকার জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ পেলেন মিশন আচার্য
বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে আটকে যাওয়া নিয়োগপত্র অবশেষে পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য।
বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে আটকে যাওয়া নিয়োগপত্র অবশেষে পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য।
ভিটেবাড়ি না থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পাননি মিশন আচার্য; তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।
আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপানোর অগ্রগতি তদারকি করতে ও মান যাচাই করার জন্য রাজধানীর ছয়টি প্রেস পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগপত্র প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে চাকরিপ্রার্থীরা তাদের নিয়োগপত্র...
উত্তরপত্র (খাতা) মূল্যায়নে যাদের দুর্বলতা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
খাতা পুনর্মূল্যায়নের পর ২৭ হাজার ৮৩৬ জন পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মোট ৫৬ হাজার ২৫৯টি নম্বরে পরিবর্তন এসেছে। ফেল থেকে...
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই আগামীকাল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১ টায় এটি অনুষ্ঠিত...
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়ে মাদক সমস্যা দূর করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এসএসসির খাতা পুনঃমূল্যায়ন করে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। এ থেকে বোঝা যায়,...
চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কিছুটা কম ছিল জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এই ফল বাড়িয়ে দিতে প্রস্তাব এসেছিল আমার কাছে। আমি বলেছিলাম, না। যার যতটুকু প্রাপ্য ততটুকুই পাওয়া...
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জিপিএ বা মার্কের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেছেন, নিজেদের সন্তানকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ানোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা তৈরি করতে হবে। শিক্ষক নিজেই যদি নিজের সন্তানকে নিজের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না করান, তাহলে অন্য অভিভাবকেরা কেন সেই প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে ভর্তি করবেন—এ প্রশ্ন