২০২৬ সালের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির লড়াইয়ে ছাত্রীরা পেছনে পড়েছেন, এগিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা। এবারের ফলাফলে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মোট ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ১ হাজার ২২২ জন। সামগ্রিকভাবে এই পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৭ শতাংশে।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত তথ্যানুসারে, আলিম পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২৯ হাজার ২৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ২৫ হাজার ২৭৮ জন।
পাসের হারের দিকে তাকালে দেখা যায়, ছাত্রীদের সাফল্য বেশি। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যার ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন; সেখানে ছাত্রীরা পিছিয়ে থেকেছেন এবং ছাত্ররা এগিয়ে রয়েছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৪৬০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২ হাজার ৭০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।
ফলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এটি স্পষ্ট যে, আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ছাত্রীদের অনুকূলে থাকলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যার দিক থেকে ছাত্ররাই এগিয়ে আছেন।
উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই থেকে এবং তা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।