মাদারীপুরে নজরুল-আগমনের শতবর্ষ ও ধীবর সম্মেলন
কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বরচিত উদ্দীপনামূলক ‘জেলেদের গান’ পরিবেশনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন, যা ছিল ৮৪ পঙ্ক্তিতে রচিত এক দীর্ঘ পরিবেশনা।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বরচিত উদ্দীপনামূলক ‘জেলেদের গান’ পরিবেশনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন, যা ছিল ৮৪ পঙ্ক্তিতে রচিত এক দীর্ঘ পরিবেশনা।
বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনিতে বেহুলা ভেলায় করে মৃত স্বামীকে নিয়ে জলপথে দেবলোকে যাওয়ার সময় যার সঙ্গে দেখা হয়েছিল, সেই গোদা পাটানির ঠিকানায় যে গোদাঘাটের কথা আছে। সেই জায়গাটি সাতক্ষীরায় বলে অনেকে মনে করেন।
তীর্থযাত্রী দান্তে শনিবার পারগেটরি অতিক্রম করবেন এবং ইস্টার সানডের কয়েক দিন পর ন্যায়সংগতভাবে স্বর্গে প্রবেশ করবেন, আর তাঁর সঙ্গী হবেন তাঁর প্রিয়তমা বিয়াত্রিচে, তাঁর জীবনের অনুপ্রেরণা ও অমর প্রেম।
অসুখী বাল্যকাল একজন যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির মেধাকেও যে কতটা অযৌক্তিক করে তোলে এমনকি ক্রমশ তাঁর মানসিক ভারসাম্য বিপন্ন ও পর্যুদস্ত করে, বিনয় তার প্রমাণ।
একটি শব্দ সব শব্দের সঙ্গে মিলতে পারে না বা বসতে পারে না। জন ফার্থ বলেন, কোনো শব্দকে বুঝতে হলে তার সাথের শব্দগুলোকে দেখতে হবে। এ কারণে মিষ্টি হাওয়া, মিষ্টি কথা, মিষ্টি মেয়ে—এগুলো বলা গেলেও সাধারণ প্রয়োগে মিষ্টি আকাশ বা মিষ্টি হাত বলা যায় না।
শুধু রাজনৈতিক ছবি নয়, মানবিক ও দার্শনিক ধারণা-সংবলিত চমৎকার সব ছবির প্রিমিয়ার দেখতে পারাটাও তো অনেক আনন্দের। বাড়তি আনন্দের কথা তো আগেই বলেছিলাম, বাংলাদেশের ছবি স্থান পাওয়ার কথা।
আজ বিচক্ষণ মনে হচ্ছে শুধু পাখিদের, যারা নাকি/ রক্তের নির্দেশে আগুপিছু না ভেবেই উড়ে যায়/ অচেনা হাওরে; যেতে যেতে, শত শত ডানার শীৎকারে/ পাল্টে দেয় দৃশ্যপট;
নিতুনদা শিল্পী হিসেবেই আমৃত্যু থাকতে চেয়েছিলেন। সে জন্য নিজের পছন্দের নতুন ইজেল করেছেন, ছাপযন্ত্র (প্রেস) বসিয়েছেন, ছবি করতে কম্পিউটারের ব্যবহার শিখেছেন—এসব নিয়েই কাজ করছিলেন। শিল্পী নিতুন কুন্ডুর সে ইচ্ছা আর পূরণ হলো না।
১৯২৬ সালে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের উদ্যোগে সংগঠিত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এ বছর শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন।
আফ্রিকার বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভিন্ন রকম লোকগল্প আছে। তার মধ্যে প্রাণীদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের সূচনা নিয়ে অসংখ্য লোককাহিনি প্রচলিত রয়েছে।
শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্বকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে তিনি যেমন প্রকৃতি, রূপকথা ও পশুপাখি নিয়ে লিখেছেন, তেমনি সমাজসচেতনতা, কৌতুক ও চমৎকার শ্লেষাত্মক চমক নিয়ে অজস্র ছড়া উপহার দিয়েছেন।
এই মানুষটাকে আমরা আর কোনো দিন দেখব না! আর কোনো তুমুল হইহল্লা নাই, হা হা হাসির হররা নাই পৃথিবীর কোথাও? নিরর্থক শূন্যতা শুধু, একটা মানুষ আর পৃথিবীতে নাই।
বিটিভির সাবেক কর্মকর্তা যাঁরা এখন দেশ ও দেশের মানুষের কাছে অগ্রজ শিল্পী-বুদ্ধিজীবী হিসেবে সুপরিচিত, তাঁরা প্রায় সবাই লোগো পরিবর্তনকে অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, বিটিভির লোগোর ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে এবং দেশবরেণ্য শিল্পী ও টিভি ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের পরিকল্পনা ও নকশায় সচল লোগোটির যেকোনো ধরনের পরিবর্তন কাম্য নয়।
নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ যখন প্রথম ছাপার অক্ষরে বেরোয়, বিনয় সরকার তখন বার্লিনপ্রবাসী। সেই প্রবাসে থেকেই ‘বিদ্রোহী’ পড়ে তিনি মুগ্ধ হয়ে যান এবং উচ্ছ্বসিত ভাষায় সেই মুগ্ধতার প্রকাশও ঘটান। সেই ১৯২২ সালেই তাঁর দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা: ‘নজরুল আধুনিক বাংলাকাব্যের যুগ-প্রবতর্ক।’
বিজ্ঞান ও সাহিত্যকে আমরা প্রায়ই দুটি পৃথক জগৎ হিসেবে দেখি। বিজ্ঞান নির্ভর করে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, পরিমাপ ও যুক্তির ওপর; সাহিত্য নির্ভর করে অনুভব, কল্পনা ও ভাষার ওপর। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এই বিভাজনকে এত সরলভাবে গ্রহণ করেননি।
ইতালিতে অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক হামলার বিষয়ে যাঁরা এখনো পর্যন্ত নীরব থেকেছেন, মূলত তাঁদের উদ্দেশে এই লেখা। বলাবাহুল্য, নীরবতা আপনাকে রক্ষা করবে না।
মানুষের মৃত্যু উপভোগ্য ও সমাদৃত। ফলে ভড়কে যাওয়ার অবসর নাই। দূরত্ব পদার্থবিজ্ঞানের প্রহেলিকা। তার ফারাক গোছাতে যাওয়ার মতো বোকামি করতে যাব না।
এই প্রদর্শনীতে শিল্পীদের গড়া বই ও শিল্পকর্মে তাঁদের একান্ত ও প্রায়শই অনুচ্চারিত অভিজ্ঞতাগুলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
দ্য আর্ট নিউজপেপারে ফিলোমেনা অ্যাপস লিখছেন, ‘কুসামার জন্ম হয়েছিল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সময়। তার শৈশব প্রভাবিত হয়েছিল সামাজিক অস্থিরতা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ও অভাবে।
ধান নষ্ট হলে আমরা দেখি। বন্যায় রাস্তা ভাঙলে দেখি। একটি কারখানা বন্ধ থাকলে তার মরচে পড়া গেটটিও দেখা যায়।
কাঁদতে বসে আমি তোমার নাক দেখি। হাসতে বসে আমি তোমার বুকে মুখ গুঁজে দেই। তুমি নিশ্চয়ই বলবে...
নজরুলের ‘দুখু’ নামের উৎস, পারিবারিক পরিচয়, বংশীয় ঐতিহ্য এবং তাঁর স্বভাবের ব্যাখ্যা নিয়ে যে সরলীকৃত ধারণা প্রচলিত হয়েছে, তা ইতিহাসসম্মত তথ্যের আলোকে নতুনভাবে দেখা জরুরি।
১৯৯৯ সালে মুক্তকণ্ঠের সাময়িকীতে প্রকাশিত হোর্হে লুইস বোর্হেসের দুটি অনুবাদিত কবিতা এখন অনলাইনে প্রকাশিত হলো।
মিয়ানমারে সামরিক জান্তার হাতে কবি খেৎ থির হত্যার পর তাঁর মৃত্যুকে কবিতার জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখেছেন ইয়ো খাৎ।