গত ২ অক্টোবর
গত ২ অক্টোবর, ২০২৬ শুক্রবার আবু কালাম শামসুদ্দিনের আঁকা অর্ধশতাধিক চিত্রকর্ম নিয়ে তাঁর একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের লা গ্যালারিতে।
গত ২ অক্টোবর, ২০২৬ শুক্রবার আবু কালাম শামসুদ্দিনের আঁকা অর্ধশতাধিক চিত্রকর্ম নিয়ে তাঁর একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের লা গ্যালারিতে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে ‘মাটির মায়া’ শীর্ষক সিরামিক প্রদর্শনীটি ১ অক্টোবর শুরু হয়েছে, চলবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত।
ঔপনিবেশিক আমলে চা-বাগানের শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় বিহার, যুক্তপ্রদেশ (বর্তমান উত্তর প্রদেশ), মধ্যপ্রদেশ ও সাঁওতাল পরগনা থেকে বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে পূর্ববঙ্গে আনা হয়। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ।
এ লেখার উদ্দেশ্য, তালিকা দীর্ঘ না করে দুজনকে বেছে নেওয়া এবং বলা যে দুজনের একজনই পাবেন এবারের নোবেল পুরস্কার। এ–ও একধরনের বাজি। আবার কিছু হিসাব-নিকাশও রয়েছে।
মুক্তকণ্ঠের পাতায় প্রকাশিত হলো তাসনুভা অরিনের নতুন কবিতা ‘যাযাবরনামা’।
হার্টমানের রচনার শুরুর অংশটি হারিয়ে গেছে, তাই আমাদের এই ‘আর্তুসবিষয়ক প্রস্তাবনা’ বা ওপেনিংয়ের জন্য ‘এরেক’ উপন্যাসের মূল আদর্শ, বিখ্যাত ফরাসি লেখক ক্রিতিয়েঁ দে তোয়ার ‘এরেক এ এনিদে’র দিকে তাকাতে হয়।
দেশে কত মহাজ্ঞানী কত কী যে জ্ঞান দেয়/ শিশু ঠিকই বোঝে এরা এত কিছু ক্যান দেয়/ নিশ্চয়ই আড়ালে যে আছে কোনো মতলব/ ঠিকই এরা তলেতলে কমবেশি বদ লোক।
বিউটি পাল সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার পরপরই তাঁর সহকর্মী ও দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকেরা তাঁর সঙ্গে সংহতি জানাতে শুরু করেন।
লোকসংস্কৃতি সাহিত্যবিশারদের আগ্রহের আরেকটি উর্বর এলাকা। ‘বঙ্গের গ্রাম্য সাহিত্য’, ‘কয়েকটি প্রাচীন হেঁয়ালী’ ‘চট্টগ্রামী ছেলে-ভুলনা ছড়া’, ‘বাঙ্গালার মেয়েলী ব্রত’, ‘লৌকিক ব্রতবিবরণ’, ‘প্রাচীন মুসলমানী গীত-মালা’ এসব রচনার শিরোনাম দেখে বোঝা যায় সাহিত্যবিশারদের মনীষা, উৎসুক্য, অনুসন্ধিৎসা ও আগ্রহের প্রকৃতি কী রকম ছিল।
অর্থনীতিবিদেরা সবচেয়ে নিরীহ ও নিষ্পাপ একটা চেহারা নিয়ে সমাজ বা পৃথিবীতে বিরাজ করেন। যেন তাঁরাই আমাদের রক্ষাকর্তা। মানুষকে উদ্ধারের নব নব পরামর্শ নিয়ে হাজির হওয়া তাঁদের এক প্রধান কর্ম। এইটা তো ভালোই। কিন্তু তাঁদের ভালো ভালো পরামর্শগুলো আদতেই কখনো বাস্তবায়িত হয়? নাকি সেগুলো তাঁদের ইউটোপিয়া আকারেই অমর হয়ে থাকে?
সুফিবাদ সন্দেহ দিয়ে শুরু হয় না, শুরু হয় বিস্ময় দিয়ে। খৈয়াম ধর্মের অনেক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কিন্তু তাঁর কোনো রুবাইয়ে আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করেননি। বরং তিনি এমন এক আলোর কথা বলেন, যা হৃদয়কে বদলে দেয়।
ফ্লোরেন্সের অভিজ্ঞতা মুর্তজা বশীরের সৃজনশীলতায় নতুন আলো জ্বালিয়েছে। তিনি রূপবন্ধ বা ফর্মের বন্ধনেও অবিমিশ্র রঙে মানুষ আঁকলেন; সুখ ও দুঃখ দুই-ই আঁকলেন।
অতীতকে ওভারটেক করে বা ছাড়িয়ে এগোতে হয়—সামনে তাকাতে হয় আমাদের। সেভাবেই ৬ নম্বর রুটের বাসকেও ভুলে যাচ্ছি আমরা। কেবল মাঝেসাঝে স্মৃতিকাতর করবে ‘প্রেমের গপ্পো’।
কোথাও বসে হয়তো ভাববো-/ এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাস/ নিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকন/ সমান্তরাল পাকা ধানের খেত/ তা গ্রাম না হয় শহর/ আরও একটু/ সামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।
সে নিজের চেয়েও আকারে বড় একটি বই থেকে ‘সন্ত ইরেনের জীবনকথা’ পড়ছিল...এই অলৌকিক পাঠের প্রভাব যেন পুরো বাড়ির ওপর পড়েছিল।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করানো নয়, আমাদের সব কাজই মৃত্যুকে জয় করার জন্য। মানুষের ক্ষুধা পেলে মানুষ খায়—এটা গুরুত্বপূর্ণ। অনাহার দীর্ঘতর হলে সে থাকবে না।
এলিয়টের জীবনের আরেকটি জটিল অধ্যায় এমিলি হেলকে ঘিরে। তাঁদের পরিচয় ১৯১০-এর দশকের গোড়ায়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। ১৯৩০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এলিয়ট হেলকে এক হাজারের বেশি চিঠি লিখেছিলেন। ২০২০ সালে সেই চিঠিগুলো গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত হলে সাহিত্যজগতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
পলাশী যুদ্ধের আগে ইংরেজরা মির জাফরকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেননি। নবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রার আগে ইংরেজদের দাবি, ইংরেজদের প্রতিনিধির সামনে কোরআন ও তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র মিরনের মস্তক স্পর্শ করে মির জাফরকে চুক্তিপত্রে সই করতে হবে।
শাম্মীর আঁকা ছবিতে মেয়েদের সৌন্দর্য, ফুল, প্রজাপতি, খোলা আকাশে নানা রঙের বারতা নিয়ে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়, যা তাঁর ছবির দর্শককে বাইরের অশান্ত, অসুন্দর বাস্তবতা থেকে কল্পনার মনোমুগ্ধকর ও সুন্দর পরিবেশে নিয়ে যায়!
আলী আনোয়ার ব্যাখ্যা করেছেন, ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে পাবলো নেরুদা–প্রাপ্তিতে আমাদের লাভ-লোকসান। পোস্টকলোনিয়াল তত্ত্ব নিয়ে কোনো বুলিবাগিশতা না করে দেখিয়েছেন এর প্রায়োগিক দিক।
কুইট ইন্ডিয়া (ভারত ছাড়) স্লোগানের জনক কে? যেহেতু এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী, তাই সাধারণ ধারণা হলো এ কৃতিত্ব তাঁরই। কিন্তু আরেকটি শক্তিশালী দাবি পাওয়া যায়। এ স্লোগানের জনক তৎকালীন ভারতের স্বাধীনতা কর্মী ও সমাজতান্ত্রিক নেতা ইউসুফ মেহরলি।
বাংলার চিত্রকলায় এই দুর্ভিক্ষের একটি ধারাবাহিক ছাপ রয়েছে, যেখানে খাবারের সন্ধান পাওয়া গেছে, শিল্পীরা সেই দিকেই ছুটেছেন। এখানো বিভিন্ন ফর্মে একই ধারা চলমান। ফলে এই দেশ তার নিজস্ব আত্মার ডাক শুনতে পায়নি, অন্তত আড়াই শ বছর ধরে তার নিজের চেহারা শিল্পকর্মের ভেতর দিয়ে দেখার সৌভাগ্য এই দেশের হয়নি।
চলচ্চিত্রের ভাষা বা দৃশ্যপট রচনা করে দর্শকের মগজে বাড়ি মারতে চেয়েছিলেন সোভিয়েত চলচ্চিত্র গুরু সের্গেই আইজেনস্টাইন। তিনি চলচ্চিত্র সম্পাদনায় ব্যবহার করেছিলেন মন্তাজ রীতি।
বুদ্ধ ও মীরা দুজন নদীর ধারে বসেছেন। গোধূলির আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে পলিথিন। বুড়িগঙ্গার দূষিত জলে ময়লার স্রোত। পাশের এক বস্তি থেকে শিশুর কান্না ভেসে আসে।