হিমবাহ ধসে নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ৩৮৯ মৃত
নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আরও প্রায় ৯০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আরও প্রায় ৯০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে গতকাল বুধবারের আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহধসকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর ছবি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
নেপালের সাম্প্রতিক হিমবাহ বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কারণ ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা নিয়ে ইসিমডের বিশেষজ্ঞ নীরা শ্রেষ্ঠা প্রধানের মতবিনিময়।
অ্যান্টার্কটিকার থওয়েটস হিমবাহ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা, যার প্রভাবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক নিচু উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
২০৫০ সালের মধ্যে হিমবাহ বিলুপ্তির হার নাটকীয়ভাবে বেড়ে সর্বোচ্চ হবে।
নিউজিল্যান্ডের আর্থ সায়েন্সেসের ‘মাউন্টেনস টু সি’ কর্মসূচির প্রধান বিজ্ঞানী সাইমন কক্স বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে।
হিমবাহ ধস ও ভূমিধসে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৩৫৯ ছাড়িয়েছে। প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ, যাদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় সেনা-পুলিশ সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রির গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, টাইটানিককে ডুবিয়ে দেওয়া হিমশৈলটি ১৯০৯ সালে গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। এটি ল্যাব্রাডর কারেন্টের স্রোতে ভেসে টাইটানিকের পথে এসে পড়ে। গবেষকরা বলছেন, এই বিপর্যয় এড়ানোর সম্ভাবনাই ছিল বেশি।
দীর্ঘমেয়াদে হিমবাহের যে পরিবর্তন ঘটছে, তা এ ধরনের দুর্যোগের সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করেন মাস্কে।
মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এ কথা জানিয়েছেন।
সৌরজগতের শেষ সীমানায় অবস্থিত বামন গ্রহ প্লুটোর স্পুটনিক প্ল্যানিটিয়া হিমবাহে তরল নাইট্রোজেনের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।
১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল রাত ২টা ২০ মিনিট। আটলান্টিক মহাসাগরে চিরতরে হারিয়ে যায় আরএমএস টাইটানিক জাহাজ।