শেরপুর-৩ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে জামায়াতের ভোট বর্জন ঘোষণা
শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী ভোট বর্জন ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভোটার উপস্থিতি বাড়ছে, নারী ভোটার বেশি।
শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী ভোট বর্জন ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভোটার উপস্থিতি বাড়ছে, নারী ভোটার বেশি।
জুলাই সনদের ঐকমত্য মানা হয়নি বলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়েছেন; তবে রুমিন ফারহানসহ ছয়জন সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত ছিলেন।
শেরপুর-৩ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ১১ কেন্দ্রে বিএনপির মাহমুদুর রহমান ৯ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে। জামায়াতের মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ২৮১ ভোট। ভোট বর্জন ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য এসেছে।
নিজের ডাকা বিশেষ উপনির্বাচনে নাইজেল ফারাজ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধান দলগুলো ভোট বর্জন করায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত হয়, আর ‘কাউন্ট বিনফেস’সহ একদল ব্যঙ্গাত্মক প্রার্থীও আলোচনায় আসে।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির রেজাউল করিম ৭৬ হাজার ৭৭২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৬ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়েছেন। দুই আসনেই জামায়াত অভিযোগ তুলেছে এবং ভোট বর্জন করেছে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সব কটি পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ঐক্য ফোরামের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক আইনজীবীরা বাধার মুখে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী–সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা এনে তারা নির্বাচন বর্জন করে।