শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও অন্যান্য অভিযোগের কারণে জামায়াতে ইসলামী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদুর রহমান অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রভাব বিস্তার করে জোরপূর্বক সিল মারা হয়েছে এবং প্রতিবাদ করায় অনেক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি দলের অধীনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শেরপুর জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "নির্বাচন চলাকালে কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভোটের শেষ সময়ে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেওয়া নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল। নিয়ম অনুযায়ী ভোটের কার্যক্রম চলছে।"
বেলা বাড়ার সঙ্গে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি বাড়ছে, বিশেষ করে নারীদের সংখ্যা বেশি। নির্ধারিত সময়ে সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়েছিল। পরে জামায়াত তাঁর ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করেছে। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (রুবেল) এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মিজানুর রহমান কাঁচি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।






