
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৬ মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৪৫ জন
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে গত ১৬ মাসে ৪৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে গত ১৬ মাসে ৪৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

সূচনা বক্তব্যের পর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ভুক্তভোগী চৌগাছা থানা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন। তিনি ওই ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) বিলুপ্তি নিয়ে দীর্ঘদিন একটি আলোচনা চলছে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনায় র্যাব বিলুপ্তির একটি সাধারণ দাবি ওঠে।

গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনায় র্যাব বিলুপ্তির দাবি ওঠে।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জিয়াউল আহসানের বোন নাজনীন নাহার মানহানির মামলা করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বৃহস্পতিবার শুনানির পর পরবর্তী তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২৪ জুন। হাসিনুর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাস নেতাদের বিচারবহির্ভূত হত্যার মামলায় সাবেক এমপি আবুল হাসানাতসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ মে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এই তারিখ নির্ধারণ করেছে। দুজন আসামি গ্রেপ্তার, দুজন পলাতক।

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ছাত্রদল ও জাসাস নেতাদের ২০১৫ সালের বিচারবহির্ভূত হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-তে মঙ্গলবার এই অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। চার আসামির মধ্যে দুজন কারারুদ্ধ এবং দুজন পলাতক।

জিয়াউল আহসানকে ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যায়িত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। অধস্তন কর্মকর্তা হিসেবে তাহলে কেন বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, জেরায় এই প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জবাবে তিনি বললেন, জিয়াউল আহসান ছিলেন তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বিগত সরকারের আমলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো দেশি ও বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছিল।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে নানা পক্ষ থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্তির সুপারিশ এসেছে জোরালোভাবে।

গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যেত, বেছে বেছে লক্ষ্যবন্তু করা হতো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী, সমর্থকদের।