বিচারবহির্ভূত হত্যা এখন শূন্যের কোঠায়: আইনমন্ত্রী
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে গত ১৬ মাসে ৪৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
সূচনা বক্তব্যের পর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ভুক্তভোগী চৌগাছা থানা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন। তিনি ওই ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাস নেতাদের বিচারবহির্ভূত হত্যার মামলায় সাবেক এমপি আবুল হাসানাতসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ মে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এই তারিখ নির্ধারণ করেছে। দুজন আসামি গ্রেপ্তার, দুজন পলাতক।
২০১১ সালে টঙ্গী আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার থেকে নেমে একটু ডান দিকে মোড় নিয়ে ৪০ মিনিটের মতো যাওয়ার পর একটি সেতুর ওপর র্যাবের গাড়ি থামে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. রফিকুল ইসলাম।
বুধবার জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তি উৎসবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গুমের শিকার মানুষের স্বজনদের প্রতীক্ষার কথা এবং বিগত শাসনামলের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। পাশাপাশি আবৃত্তির প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুটি মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (চাকরিচ্যুত) তারেক সাঈদ মোহাম্মাদকে ১০ আগস্ট হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জিয়াউল আহসানের বোন নাজনীন নাহার মানহানির মামলা করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বৃহস্পতিবার শুনানির পর পরবর্তী তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২৪ জুন। হাসিনুর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জিয়াউল আহসানকে ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যায়িত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। অধস্তন কর্মকর্তা হিসেবে তাহলে কেন বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, জেরায় এই প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জবাবে তিনি বললেন, জিয়াউল আহসান ছিলেন তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যেত, বেছে বেছে লক্ষ্যবন্তু করা হতো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী, সমর্থকদের।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) বিলুপ্তি নিয়ে দীর্ঘদিন একটি আলোচনা চলছে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনায় র্যাব বিলুপ্তির একটি সাধারণ দাবি ওঠে।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনায় র্যাব বিলুপ্তির দাবি ওঠে।