বিকাশ অ্যাপ থেকেই ইস্টার্ন ব্যাংকে (ইবিএল) এফডিআর খোলার সুযোগ
বিকাশ অ্যাপ থেকেই ব্যাংক শাখায় না গিয়ে ও কাগজপত্র জমা না দিয়েই ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) এফডিআর খোলার ডিজিটাল সেবা চালু করেছে ইবিএল ও বিকাশ।
বিকাশ অ্যাপ থেকেই ব্যাংক শাখায় না গিয়ে ও কাগজপত্র জমা না দিয়েই ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) এফডিআর খোলার ডিজিটাল সেবা চালু করেছে ইবিএল ও বিকাশ।
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল—এই চার ধরনের সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে এখন আইডিএলসি ফিন্যান্সের এফডিআর খোলার সুবিধা পাওয়া যাবে। ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ৬ মাস ও ১ বছরের মেয়াদে সঞ্চয়ের এই সুযোগটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ মার্চেন্টদের জন্য ডিজিটাল ন্যানো ঋণ চালু করেছে, যার আওতায় এক মিনিটে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পাওয়া যাবে। পরীক্ষামূলক শুরুর চার দিনে ২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
বিকাশ, রকেট ও নগদের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ এবং ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিকাশ অ্যাপের গেম জোনে বিভিন্ন ক্যাটাগরির গেম থাকলেও সেগুলো খেলতে আলাদা করে মুঠোফোনে অ্যাপ ইনস্টল করতে হয় না।
বিকাশ নম্বর বা আইডি চাইলে সতর্ক থাকার নির্দেশ তারেক রহমানের।
বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। আজ রাত ১২টা থেকে নির্বাচনের দিন দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এসব সেবা সীমিত থাকবে।
ব্যক্তি গ্রাহকদের একে অপরের কাছে টাকা পাঠানো আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সীমিত থাকবে, এমন পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ইস্টার্ন ব্যাংকের মাসিক ডিপিএস সেবা। এখন ঘরে বসেই কোনো কাগজপত্র ছাড়া ইস্টার্ন ব্যাংকে ছয় মাস থেকে চার বছর মেয়াদে সঞ্চয় করতে পারবেন গ্রাহকেরা।
বিকাশ হিসাব দিয়ে প্রতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা বা মাসে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করা যায় সঞ্চয়। বিকাশের অ্যাপ থেকে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসিতে ডিপিএস খোলা যায়।
বিকাশ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে আরও ৪০ হাজার বই দিয়েছে শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে। ২০১৪ সাল থেকে এই কর্মসূচিতে দেওয়া বইগুলো প্রায় ৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ হয়েছে, যা ৩৪ লাখের বেশি পাঠককে উপকৃত করেছে। এবারের বই ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানে যাবে, নতুন ৮০টি স্কুল সহ।