
বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?
বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?

বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রাম এলাকার ঢাকা–খুলনা মহাসড়কে দোলা পরিবহনের বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়।

রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় দুই দিন ধরে কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ। টানা দ্বিতীয় দিন ডুবেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা।

গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা উত্তরে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২২ এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৫৫৭ জন।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঈদের আনন্দের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়কে ঝরেছে অন্তত ১৬ প্রাণ।

বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রতি বছর ৩০০-৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। বজ্রঝড়ের কারণ, ঝুঁকি এবং প্রতিরোধের সহজ উপায়গুলো জানুন। সঠিক সচেতনতা ও সতর্কতা জীবন বাঁচাতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ।

ইরানের বিভিন্ন শহরে ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ চলছে।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা পরিহার করে কেবল আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।