গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু সংক্রমণে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। মৃত তিনজনের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ, যাদের বয়স ৩৬ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। তারা 각각 বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আজ সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫১ জন। এর ফলে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ১৯৯ জনসহ মোট ৬ হাজার ৮৭৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন।
বিভাগীয় তথ্যানুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ৪০ জন করে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৪ জন, ঢাকা মহানগরের বাইরে ১৯ জন, ময়মনসিংহে ১৫ জন, রাজশাহীতে ১২ জন এবং সিলেটে ২ জন ভর্তি হয়েছেন।
মাসিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে, মে মাসে ১ জন, জুনে ১৩ জন এবং জুলাইয়ে এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এলাকাভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যান 살펴보 দেখা যায়, ময়মনসিংহে ৫ জন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪ জন করে, চট্টগ্রামে ৩ জন, বরিশাল ও খুলনায় ২ জন করে এবং রাজশাহী ও ঢাকা মহানগরের বাইরে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২ হাজার ৭ জন, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৫৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১ হাজার ৭৮ জন, খুলনায় ৯৪৫ জন, ঢাকা মহানগরের বাইরে ৯০৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬৬৫ জন, রাজশাহীতে ২৭০ জন, ময়মনসিংহে ২২৯ জন, সিলেটে ৭০ জন এবং রংপুরে ৩২ জন ভর্তি হয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সাধারণত বর্ষা মৌসুমে, বিশেষ করে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে। বৃষ্টির পানিতে জমে থাকা ছোট জলাধারে এডিস মশার প্রজনন সহজ হয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্বাভাবিক আবহাওয়া, দীর্ঘ উষ্ণতা এবং দ্রুত নগরায়ণের ফলে ডেঙ্গুর মৌসুমি ধারায় পরিবর্তন এসেছে; সংক্রমণ এখন আগের চেয়ে দ্রুত শুরু হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে চলছে।






