
অভয়নগরে বিল ভরাট করায় দুই শতাধিক পরিবার দেড় মাস ধরে পানিবন্দী
যশোরের অভয়নগরের প্রেমবাগ ইউনিয়নের চেঙ্গুটিয়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার দেড় মাস ধরে পানিবন্দী হয়ে আছে।

যশোরের অভয়নগরের প্রেমবাগ ইউনিয়নের চেঙ্গুটিয়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার দেড় মাস ধরে পানিবন্দী হয়ে আছে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার একাধিক এলাকার জলাবদ্ধতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত পৌরসভার অন্তত ছয়টি এলাকায় হাজারো পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় আছে।

টানা তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার অন্তত ছয়টি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন তথ্য।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আজ শুক্রবার ভোর থেকে বিভিন্ন এলাকায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে।

জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতসহ সমন্বিত উদ্যোগ নিতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ধানমন্ডি-গুলশান লেক সংস্কার, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন—এসব বিষয়ে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

হবিগঞ্জে খোয়াই নদের বাঁধ ভেঙে তিন দিন আগে ঢোকা বন্যার পানিতে এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। উঁচু এলাকার পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চলের অনেক গ্রামের ঘরবাড়িতে এখনো দুই থেকে আড়াই ফুট পানি আছে।

হাসপাতালের সামনের সড়ক ও পাঁচটি ভবনের নিচতলায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় জরুরি ও বহির্বিভাগের ৭টি ইউনিট তলিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে; পানিবন্দী রোগীদের আনা-নিতেও ভোগান্তি।

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়ে গেছে। বন্যা পরিস্থিতি এখনো জটিল এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কয়েক দিন ধরে পানিবন্দী বাঁশখালী উপজেলার বহু এলাকা। পরিবারের সদস্যরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গেলেও পর্যাপ্ত ত্রাণ, শুকনা খাবার ও সুপেয় পানি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ এসেছে।

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাঙ্গু নদের পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ডলু, টঙ্কাবতী, মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানিও বেড়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েকটি উপজেলার বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমেছে।