ঢাকার এই ছাদবাগানে বছরে গড়ে ৫ মণ আম হয়, এবার ফলন কেমন?
এই বাড়ির ছাদে বাগানের সূচনা ২০১০ সালে। দুটি বারোমাসি আম দিয়ে শুরু করা সেই বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে ২৬ প্রজাতির আমগাছ।
এই বাড়ির ছাদে বাগানের সূচনা ২০১০ সালে। দুটি বারোমাসি আম দিয়ে শুরু করা সেই বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে ২৬ প্রজাতির আমগাছ।
আগারগাঁও জাতীয় বৃক্ষমেলায় ছাদবাগানের জন্য বিশেষ উপযোগী আম্রপালি, কাটিমন, বারি-৪, চিয়াংমাই ও ব্যানানা ম্যাঙ্গোর মতো উন্নত জাতের আমের চারা পাওয়া যাচ্ছে।
নিজেদের ছয়তলা ভবনের ছাদে সবুজের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছেন জহিরুল ইসলাম কবির ও ডালিয়া কবির দম্পতি।
সিলেট নগরের লালাদীঘির পাড় এলাকার দোতলা বাড়ির ছাদে উঠলে দেখা মেলে সুন্দর এক বাগানের। রঙিন ফুল, ফল আর সবজি গাছের ফাঁকে ফাঁকে ছড়িয়ে আছে যত্ন আর ভালোবাসার ছাপ। এই ছাদবাগান আওয়াংলৈ সিনহার।
অতিবৃষ্টি ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ছাদবাগানের গাছ রক্ষা করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সঠিক সার প্রয়োগ এবং রোগ-পোকা দমনে বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয় পরামর্শ।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বসেছে জাতীয় বৃক্ষমেলা। এখানে পাবেন নানা জাতের ফলদ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা।
২০১৭ সালে ‘নকশা’র আয়োজনে বৃষ্টিতে ভিজে প্রচ্ছদের জন্য ছবি তুলেছিলেন এই অভিনেত্রী। সেই ছবিগুলো দেখুন আরেকবার।
বসুন্ধরায় নতুন বাসায় গ্রামবাংলার সরল জিনিসপত্র দিয়ে মিনিমালিস্টিক সাজসজ্জা করেছেন ফায়জা আহমেদ। পুরোনো স্মৃতিভরা কাঁথা, কাঁসার পাত্র, হাতে বোনা পর্দা ও স্থানীয় সোফা ব্যবহার করে তৈরি এই ঘর গ্রামীণ সরলতার প্রতিফলন। তাঁর মতে, এটাই প্রকৃত মিনিমালিজম।
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের কাদেরিয়া পাড়ায় দেখা যায় এ দৃশ্যের। দেখতে শৌখিন এ ছাদবাগানটি করেছেন ফরমান হাসনাত নামের এক যুবক। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশল বিভাগ থেকে পাস করেছেন। এখন তিনি এই ছাদবাগান থেকেই বছরে আয় করেন অন্তত চার লাখ টাকা। সেখানে রয়েছে ৪৬০ প্রজাতির বিভিন্ন গাছ।