জলবায়ু ন্যায়বিচার ও পরিবেশ সুরক্ষায় ইইউর অর্থায়নে নতুন প্রকল্প
তৃণমূল পর্যায়ের নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে নতুন প্রকল্প শুরু হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ের নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে নতুন প্রকল্প শুরু হয়েছে।
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে টেকসই নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের মাধ্যমে জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ার অঙ্গীকার জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
অতীতে কোনো একটি বা দুটি স্টেশনে রেকর্ড বৃষ্টির ঘটনা থাকলেও এবার বৃষ্টির বিস্তার ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চলজুড়ে। তাই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখছেন গবেষকেরা।
বন সুরক্ষার জন্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সম্পদ প্রয়োজন। কিন্তু তাদের ভূমির আনুষ্ঠানিক অধিকার না থাকলে, বন সুরক্ষার বৈশ্বিক তহবিল এসব জনগোষ্ঠী পাবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন সুরক্ষার বাধা—এসবের আন্তসম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন খলিলউল্লাহ্
প্রকৃতির খেয়াল আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্যা ও জলাবদ্ধতার করুণ বাস্তবতার পাশাপাশি দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণের প্রদর্শনী সংস্কৃতির সমালোচনা করেছেন লেখক মহিউদ্দিন আহমদ।
কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়ায় নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সি অঞ্চলের বাতাসের মান উদ্বেগজনক পর্যায়ে নেমে যাওয়ায় বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
টেকসই ও পরিবেশ-উপযোগী স্থাপত্য নকশাকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ চালু করা হয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে বনানীতে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে এশিয়া থেকে ইউরোপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিশাল আকৃতির শিকারি পতঙ্গ, যা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইআরসি জানায়, চলতি বছরের মৌসুমি বৃষ্টিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বন্যায় ১০ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন, তবে ত্রাণ তৎপরতা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য ভূগোল ১ম পত্রের চতুর্থ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর প্রকাশ করেছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. শাকিরুল ইসলাম।
বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তন না হলে জুনের শেষ দিকের এ তাপপ্রবাহ কার্যত ‘অসম্ভব’ ছিল। তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন এবং তীব্র হয়ে উঠছে।