নেত্রকোনায় দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৯ হাজার হেক্টর খেতের ধান পানির নিচে
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে জেলার হাওরগুলোতেও পানি বেড়ে দ্রুত জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
৪ বছর ৩ মাস বয়সী আকিরা হায়দার আরশির পিআইসিইউতে শেষ আবদার ছিল ‘বাবা আমাকে বুকে নাও, পানি দাও’। বাবা আল আমিন চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞায় মেয়েকে বুকে নিতে বা পানি দিতে পারেননি। এই হৃদয়বিদারক মুহূর্ত বাবার কথায় প্রকাশ পেয়েছে।
১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুরা সুযোগ পেলেই পানি নিয়ে খেলতে শুরু করে। এই বয়সটাতে সবাই মানি নিয়ে মেতে থাকে। এই বয়সের শিশুরা কেন পানি নিয়ে খেলতে এত ভালোবাসে?
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের এক দিন পশ্চিম তীরের একটি পুলে সাঁতার কাটছিল ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা—ফিলিস্তিনিদের সেচের পানি অন্যদিকে ঘুরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অতিভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কর্ণফুলী নদীর মোহনায় দাঁড়ালেই দূষণের চিত্র চোখে পড়ে। পানির ওপর ভাসছে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, বোতলের ঢাকনা, শোলা, ছেঁড়া স্যান্ডেল, মাছ ধরার জালের টুকরা—আরও কত কী। সদরঘাট এলাকায় গিয়ে সেই দৃশ্য আরও প্রকট। নদীর পানি কালচে। কোথাও কোথাও দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে। শহরের বিভিন্ন খাল বেয়ে আসা বর্জ্য নদীর বুকে ছোট ছোট স্তূপ তৈরি করেছে।
গরম ও বর্ষাকালে হেপাটাইটিস এ ও ই-র প্রকোপ বাড়ার পেছনে জলাবদ্ধতা, অনিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন-সংক্রান্ত নানা ঝুঁকি কাজ করে—এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে একটি পুলিশ ক্যাম্পের পানির ট্যাংক থেকে পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়েছেন। ঘটনার পর পানির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অবকাঠামো নির্মাতা ও আবাসন খাতের জন্য আধুনিক পানি ও আর্দ্রতারোধী সিমেন্ট হয়ে উঠেছে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষার কার্যকর সমাধান।
সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন বন্যা মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রেখেছে।