হামে আরও ৩, উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, সংক্রমণ ছড়াচ্ছে
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (১১ মে সকাল ৮টা থেকে ১২ মে সকাল ৮টা) হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ১০৫ শিশুতে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৭ হাজার ২৪ শিশুতে হাম শনাক্ত হয়েছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (১১ মে সকাল ৮টা থেকে ১২ মে সকাল ৮টা) হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ১০৫ শিশুতে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৭ হাজার ২৪ শিশুতে হাম শনাক্ত হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে দেশে আরও ৬ শিশু মারা গেছে, যার মধ্যে ঢাকায় ৩ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৪১৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার ৫০০ শিশুর শরীরে উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
রক্তে হিমোগ্লোবিন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে পলিসাইথেমিয়া হয়, যা রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করে। এর তিন ধরন, লক্ষণ, জটিলতা এবং চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন। সময়মতো চিকিৎসায় রোগীরা সুস্থ জীবন যাপন করতে পারেন।
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শনিবার নতুন করে ২০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। টিকা অভিযান লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে প্রকোপ বাড়ছে। হাসপাতালে মোট ৮৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ জন সিলেট বিভাগের। গত ৫৪ দিনে মোট ৩৪৩ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সন্দেহজনক রোগী ১ হাজার ২১২ এবং হাম শনাক্ত ২৮২ শিশু।
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই রোগে মোট ২৩ শিশুর জীবনহানি ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃক টিকাদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে দেশে আরও ১২ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে একজনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। সেই সময়ে ১ হাজার ২৩৮ শিশুতে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যু কমছে না; বরং বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ৩১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাদেশ ভয়াবহ হাম মহামারির কবলে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ২৫০ জনের বেশি মারা গেছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।
শিশুদের মৃত্যু হামে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হামের উপসর্গ থাকলে সেটিও হামে মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
চট্টগ্রামে গরম শুরুর সঙ্গে বেড়েছে শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এপ্রিল মাসের প্রথম ২০ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭৫টি শিশু ভর্তি ছিল। এর মধ্যে নিউমোনিয়া নিয়ে ২৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসব শিশুর হাম শনাক্ত না হলেও তাদের শরীরে ফুসকুড়ি ছিল।