
সিডনিতে এক স্থানীয় শিল্পীর সংগীতসন্ধ্যা
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির লাকেম্বার একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিডনির স্থানীয় বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী মিঠু স্বপ্নর একক সংগীতসন্ধ্যা।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির লাকেম্বার একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিডনির স্থানীয় বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী মিঠু স্বপ্নর একক সংগীতসন্ধ্যা।

রাজশাহীর বাগমারার দোতারাবাদক আবদুস সামাদ মোল্লাহ। অভাব–অসুস্থতা থাকলেও দোতারা বাজিয়ে গান গেয়ে তাঁর চায়ের দোকানে মানুষকে বিনোদন দিয়ে চলেছেন।

শঙ্করের দর্শন ও কাজ শুধু হিন্দু দর্শনকে নয়, ভারতীয় চিন্তার শিকড়কে বদলে দিয়েছে। উপনিষদের মূল সুর তিনি এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে তা আজও আধুনিক দর্শন, মনোবিজ্ঞান, এমনকি কোয়ান্টাম দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনায় হাজির হয়। গুরু-শিষ্য পরম্পরা, মঠসংস্কৃতি, বেদান্ত শিক্ষা, সংস্কৃত ব্যাখ্যা-পদ্ধতি—সব জায়গায় তাঁর ছাপ। সংক্ষেপে বললে, মাত্র তিন দশকের জীবনে তিনি করেছেন শতাব্দীর কাজ। তাঁর চিন্তা এখনো সাগ্রহে অধীত হয়।

পাঠকদের জন্য জীবনমুখী ও অনুপ্রেরণামূলক গল্পের এক অনন্য সংকলন নিয়ে হাজির হয়েছেন লেখক আশিক খাঁন।

পর্তুগালের মোইতা শহরে ফেইরা দে মাইও উৎসবের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক। গ্রামীণ পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী বুল ফাইট, ফার্টুরাস চুরোসের মতো খাবার ও স্থানীয় সংস্কৃতি দেখে তিনি মুগ্ধ।

শিল্পকর্মকে পণ্য হিসেবে মনিটাইজের প্রয়োজনীয়তা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পণ্য ব্র্যান্ডিং ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

হাসন রাজার জন্ম সুনামগঞ্জে ১৮৫৪ সালে আর ১৯২২ সালে নির্বাপিত হয়েছিল জীবনপ্রদীপ। কিন্তু তাঁর সুর ও বাণী আলোকিত করে রেখেছে আমাদের সংগীত ভুবন।

শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের জরাজীর্ণ ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

‘হবি কার্নিভাল-০২’ প্রদর্শনীতে পুরোনো সংগ্রহ প্রদর্শন, নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীলতায় উৎসাহিত করতে আয়োজন।

দেশীয় নাট্যসংস্কৃতির বিকাশ, প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

‘ফেত দ্য লা মিউজিক ২০২৬’ উৎসবে ফরাসি-মরিশিয়ান পারকাশনবাদক সুভাষ ধনুচন্দের ‘তবলাট্রনিক’ পরিবেশনা প্রশংসিত হয়েছে।

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত একটি দলই জিতবে। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃত জয় তখনই হবে, যখন এই উৎসব আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা এবং উন্নত ক্রীড়া সংস্কৃতির বীজ বপন করবে।