জীবনের মঞ্চে রামেন্দু মজুমদারের ৮৫ বছর
বইটিতে মোট সাতটি পর্বে ছবিগুলো সাজানো হয়েছে বলে জানান ত্রপা মজুমদার। শুরু হয়েছে লক্ষ্মীপুরে রামেন্দু মজুমদারের জন্ম ও শিক্ষা নিয়ে।
বইটিতে মোট সাতটি পর্বে ছবিগুলো সাজানো হয়েছে বলে জানান ত্রপা মজুমদার। শুরু হয়েছে লক্ষ্মীপুরে রামেন্দু মজুমদারের জন্ম ও শিক্ষা নিয়ে।
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘পোয়েটিক ইকোজ উইথ মনসুন মেলোডিজ’ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুলসহ পাঁচ বাঙালি স্রষ্টা এবং তিন ফরাসি কবির কবিতা ও গান পরিবেশিত হয়।
শিক্ষাব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক চর্চার অবনতির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পতিত সরকার দেশের শিক্ষা–সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।
আধা পাকা ও জরাজীর্ণ এই ভবনে আধুনিক কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। এর ওপর প্রতিটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া গুনতে হয়।
বুধবার জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তি উৎসবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গুমের শিকার মানুষের স্বজনদের প্রতীক্ষার কথা এবং বিগত শাসনামলের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। পাশাপাশি আবৃত্তির প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
শাহবাগে জাতীয় কবিতা পরিষদের অনুষ্ঠানে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনায় সৃজনশীল আন্দোলনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন কবিরা।
জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাঁশি সন্ধ্যায় রাগ শ্যাম কল্যাণ, হংসধ্বনি ও দরবারি কানাড়াসহ বিভিন্ন রাগের পরিবেশনা করেন ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম।
সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক রূপান্তর হয়নি এবং অর্জিত শক্তিকে হাতছাড়া করার চেষ্টা চলছে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জুলাইয়ের আশা–আকাঙ্খা, প্রত্যাশা, সফলতা, ব্যর্থতার বিষয়গুলোও সেখানে উঠে আসছে। এর মধ্যে কার্টুনিস্ট মেহেদী হকের আঁকা কয়েকটি কার্টুন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে–বিপক্ষে নানা আলোচনা–সমালোচনা দেখা গেছে। কার্টুন প্রসঙ্গে এবং শিল্পীর স্বাধীনতা ও এ নিয়ে তর্ক–বিতর্ক নিয়ে লিখেছেন জাহিদ জামিল ও মোহাম্মদ জাহিদুল হক
বাংলাদেশের মতো দেশে শিল্পনীতি যেসব সুযোগ তৈরি করে, সেটির অপচয় হয় রাজনৈতিক বন্দোবস্ত না থাকার কারণে।
বান্দরবানের আলীকদমের কয়েকটি পাড়ার ১০ জন মানুষ এই ভাষা জানতেন। এর মধ্যে তিন ভাই সাবলীলভাবে এই ভাষায় কথা বলতে পারতেন। গত ৫ মে ওই তিন ভাইয়ের একজন মাংওয়াই ম্রো ৬৬ বছর বয়সে মারা যান। এখন তাঁর দুই ভাই কেবল এ ভাষায় কথা বলতে পারেন।