বিশ্বকাপ শেষে ঘুমের রুটিন যেভাবে ফিরিয়ে আনবেন
বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে রাত জাগার ফলে অনেকের ঘুমের রুটিন নষ্ট হয়েছে। কিছু সহজ অভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে পুনরায় স্বাভাবিক ঘুমের ছন্দ ফিরিয়ে আনা যায়, তা আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে রাত জাগার ফলে অনেকের ঘুমের রুটিন নষ্ট হয়েছে। কিছু সহজ অভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে পুনরায় স্বাভাবিক ঘুমের ছন্দ ফিরিয়ে আনা যায়, তা আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
প্রেম-খেলা-দৈনন্দিন অভ্যাস—সব মিলিয়ে ভুলে না যাওয়ার কথাই ঘুরে ফিরে এসেছে লেখাটিতে। তবু প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপের উত্তাপে ক্রিকেট-বাস্তবতা কি আমরা মনে রাখব?
কাজের চাপ, মুঠোফোন ব্যবহার বা টিভি দেখার কারণে রাত ১১টা বা ১২টার পর খাবার খাওয়ার অভ্যাস এবং অনিয়মিত ঘুম বাংলাদেশে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর? উপুড়, চিত বা কাত হয়ে ঘুমানোর ক্ষেত্রে এর প্রভাব এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
অতিরিক্ত চা-কফি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। বরং কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে চা-কফির ওপর নির্ভর না করেও নিজেকে সতেজ রাখা সম্ভব।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
ক্রিকেটে ব্যাটিং দলের খেলোয়াড়দের দীর্ঘ সময় ড্রেসিংরুমে বসে থাকার অভ্যাস আছে। কিন্তু ফুটবলে বিষয়টা ভিন্ন
কিছু অভ্যাস শুধু মানুষের সম্মানই নষ্ট করে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সংহতিকেও ধ্বংস করে দেয়। এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে ইসলামের ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো:
দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালানোর ফলে ঘাড়, কাঁধ, পিঠ ও কোমরে ব্যথা হয় একটি সাধারণ সমস্যা। সঠিক বসার ভঙ্গি, বিরতি নেওয়া, নিয়মিত ব্যায়ামসহ কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে এই ব্যথা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ঘুমানোর আগে অজু করলে ফেরেশতার সঙ্গ, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে নিরাপত্তা, মৃত্যুর প্রস্তুতি এবং শারীরিক-মানসিক উপকার পাওয়া যায়। রাসূল (সা.) এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন এবং হাদিসে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। এই সহজ সুন্নাহ জীবনে অভ্যাস করা উচিত।
অনেক অভিভাবকই সন্তানের ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। তবে এ অভ্যাস শিশুদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।