আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত পৃথিবীকে উত্তপ্ত না শীতল করে
অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।
অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।
যুক্তরাষ্ট্র এখন আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই মহাকাশে ভিনগ্রহী বা ইউএফও নিয়ে জনমনে কৌতূহল নতুন করে দানা বাঁধছে।
কর্মসূচি পালনের সময় নুরুজ্জামানের গলায় ‘শব্দদূষণ বন্ধ চাই, নিরাপদ পৃথিবী চাই’ লেখা ব্যানার ঝোলানো ছিল।
২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)
ধ্বংসোন্মুখ পৃথিবী। বইছে ধূলিঝড়। বাতাস বিষাক্ত। ফসলের খেত পুড়ে ছারখার। না খেয়ে মরছে মানুষ। অথচ সেই চরম সংকটময় সময়ে ভূগর্ভস্থ গোপন দপ্তরে বসে বিজ্ঞানীরা কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানাচ্ছেন মহাকাশযান।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দ্রুত বদলে যাচ্ছে চেনা পৃথিবী। খেলাধুলার জগতেও বিজ্ঞান এখন নিয়ে এসেছে অভাবনীয় রূপান্তর।
কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, তাকে কী বলে? উত্তর: অভিকর্ষ।
কম জ্বালানি খরচ করে পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়ার নতুন পথ আবিষ্কারের দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে এমন ২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এগুলো পৃথিবী থেকে ৬৫০ থেকে ১৮ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। নাসার স্যাটেলাইটের তথ্য থেকে এই আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে।
আর্টেমিস-২ অভিযানের চার নভোচারী চাঁদের পেছনে পৌঁছে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। তারা এখন পৃথিবীর পথে ফিরছেন এবং ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করবেন। তাঁদের ফিরতে প্রায় চার দিন সময় লাগবে।
নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানে চাঁদের পেছনে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় নভোচারীদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁরা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। অভিযান শেষে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প।
আর্টেমিস–২ অভিযানের নভোচারীরা চাঁদের পেছন দিকে পৌঁছে পৃথিবী থেকে ৪ লাখ ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার দূরত্বে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। এটি অ্যাপোলো–১৩-এর ৫৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙেছে।