ইরানে টানা আট রাত মার্কিন হামলা, লক্ষ্যবস্তু নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র
যুক্তরাষ্ট্রের টানা আট রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। এর জবাবে কুয়েত ও জর্ডানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের টানা আট রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। এর জবাবে কুয়েত ও জর্ডানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বিনিময়ে কুয়েতের সঙ্গে একটি বর্ধিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান, যেখানে সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তাব রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অস্পষ্টতা এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ–পশ্চিমের আন্দিমেস্ক শহরের আকাশে এমকিউ–৯ ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসের দাবি করেছে আইআরজিসি; সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
ইরানে টানা পাঁচ ঘণ্টা মার্কিন হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত; হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের লড়াই তীব্র।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় উত্তপ্ত ইরানে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার মুখে। এই ব্যর্থতার দায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ওপর চাপিয়ে তাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
লিন্ডসে গ্রাহাম সব সময় যুক্তরাষ্ট্রের কট্টর পররাষ্ট্রনীতির সমর্থন করে গেছেন এবং ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অটল সমর্থনের দিকে মনোযোগ ধরে রাখার উপায় খুঁজে নিতেন।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন এক ভারতীয় ক্রু এবং আহত হয়েছেন আরও আটজন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর।
চীন এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি চাল খেলছে এবং অন্যের পাতানো ফাঁদে পা না দেওয়ার কারণেই বেইজিং এখন পর্যন্ত এই খেলায় জয়ী হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পূর্ণ হলো। দেশটির প্রতিষ্ঠাতারা এমন এক প্রজাতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা বিশ্ববাসীর ওপর আধিপত্য কায়েম করবে না, বরং ‘মানবজাতির মতামতের প্রতি যথাযথ সম্মান’ দেখাবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বলছে, চলতি ২০২৬ সালে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বিশ্ব জ্বালানি তেলের চাহিদা; ২০২০ সালের পর এটিই প্রথম সম্ভাব্য বছর, যখন বিশ্বে চাহিদা কমার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।