
নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য ইসলামের পাঁচটি নির্দেশনা
ইসলামে নিরাপত্তা বা আমানকে অমূল্য নেয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য পাঁচটি মূল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ঐক্যের মাধ্যমে এই নেয়ামত সংরক্ষণ সম্ভব।

ইসলামে নিরাপত্তা বা আমানকে অমূল্য নেয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য পাঁচটি মূল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ঐক্যের মাধ্যমে এই নেয়ামত সংরক্ষণ সম্ভব।

ইসলামে হাসি-ঠাট্টা জায়েজ কিন্তু নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে। নবী (সা.)-এর কৌতুকের উদাহরণসহ শরিয়তের সীমারেখা তুলে ধরা হয়েছে। মিথ্যা, উপহাস বা অতিরিক্ত হাসি থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

মধ্যযুগের মুসলিম বিজ্ঞানী আল-বাত্তানি ত্রিকোণমিতি ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে অসাধারণ অবদান রেখেছিলেন। তাঁর সূর্যবছরের হিসাব আধুনিক মাপকাঠির কাছাকাছি এবং কোপারনিকাসসহ অনেক বিজ্ঞানী তাঁকে সম্মান করেছেন। চাঁদের একটি এলাকা এবং স্টার ট্রেকের মহাকাশযান তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।

কোরআনের সুরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ হালাল রিজিক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। হারাম রিজিক ইবাদতকেও প্রভাবিত করে। আলেমদের মতে হারাম মালের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে, বিশেষ করে পিতার আয় হারাম হলে সন্তানের করণীয়।

ইসলামে মূল্যবান সম্পদের কেনাবেচায় সাক্ষী ও লিখিত চুক্তি রাখা অত্যন্ত জরুরি। এটি মানুষের ভুল, বিস্মৃতি ও মৃত্যুকালীন জটিলতা থেকে রক্ষা করে। কোরআনের সুরা বাকারার ২৮২ নম্বর আয়াতে এর বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।

বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।

পবিত্র রমজান মাস বিদায় নিয়েছে। অনেক মুসলমান এই এক মাস ইবাদত-বন্দেগিতে খুব মশগুল থাকেন, কিন্তু মাস শেষ হতেই আবার আগের গাফিলতিতে ফিরে যান।

তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।

কেয়ামতের ময়দানে প্রতিটি নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। স্বাধীনতা দিবসে আমাদের আত্মোপলব্ধি প্রয়োজন—আমরা কি স্বাধীনতার এই নেয়ামতকে সঠিক পথে ব্যয় করছি?

স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য তিনি অত্যন্ত নিপুণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। কেবল আক্রান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন না, বরং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত দল পাঠাতেন।

উম্মে সালামার বিশেষত্ব এখানেই। তিনি তাঁর প্রতিজন দাসী-বাঁদিকে কোরআন-সুন্নাহর দীক্ষায়ও দীক্ষিত করে তোলেন পূর্ণরূপে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের শিক্ষা আঞ্জাম দিতে থাকেন।