শিক্ষায় মুসলিম সমাজের গন্তব্য কোথায়
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।
ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।
ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।
শোনার এই গুণটি স্বয়ং আল্লাহর। তিনি ইবলিসের মতো অভিশপ্ত সত্তার যুক্তিহীন দাবিগুলোও মন দিয়ে শুনেছিলেন, যার বর্ণনা কোরআনের সাত জায়গায় এসেছে।
কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।
ইসলামের প্রথম যুগে নারী সাহাবিরা হস্তশিল্প, ব্যবসা, কৃষি, চিকিৎসা ও যুদ্ধসেবায় সক্রিয় ছিলেন। পরিবারের সহায়তা ও সদকার উদ্দেশ্যে তাঁরা শালীনতা রক্ষা করে কর্মজীবী হয়েছিলেন। হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁদের ভূমিকা স্পষ্ট।
পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।
বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।
ইসলামে অবৈধ সম্পদ থেকে দায়মুক্তির উপায় কী যদি মালিক খুঁজে না পাওয়া যায়? ফকিহদের তিন মতামত এবং সাহাবির উদাহরণসহ ব্যাখ্যা। আলেমদের পরামর্শ অনুসরণ করে তওবা সম্পূর্ণ করা যায়।
পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।
ইবরাহিম (আ.)-এর হিজরত এবং আল্লাহর ‘নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত’ আয়াতের আলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎপীড়নময় পরিবেশ থেকে সরে আসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোরআনের আয়াত, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি, ইমাম বাগভি এবং তাবেয়িদের ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। মুমিনদের জন্য আল্লাহর প্রশস্ত জমিনে ইবাদতের আহ্বান জানানো হয়েছে।