
সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতার বাগানবাড়ি ভাঙচুর
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আসাদুল হকের বাগানবাড়ির সীমানাপ্রাচীর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাছ এবং পুকুরপাড়ের প্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আসাদুল হকের বাগানবাড়ির সীমানাপ্রাচীর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাছ এবং পুকুরপাড়ের প্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে একদল নেতা–কর্মী উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে মাল্যদান করার ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।

বিবৃতিতে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতারা বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড উসকানিমূলক ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়।

রোববার সকালে খুলনা জেলার ফুলতলার আইডিয়াল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনোত্তর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এর পর থেকে কার্যালয়ে দলটির কাউকে যেতে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ, উভয়ই বয়ে এনেছে।

খুলনা-৬ আসনে পরাজিত বিএনপির প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোটার ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন।

শনিবার রাত দেড়টার দিকে ফুলতলা উপজেলার মশিয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে একটি লাকড়ি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার ব্যতিক্রমী ফল হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী।

যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের পরাজয়ের জেরে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে উঠেছে।