
সংবাদ অনুসন্ধান করুন
126 টি ফলাফল পাওয়া গেছে: "শিল্প ও সাহিত্য"


বরফ ঢাকা জঙ্গলে, স্বপ্নের ভিতর হেঁটে যায় যেসব কবি
নর্ডিক দেশগুলো কবিতার মতো। মাথায় তাদের অরোরার মুকুট। শরীরটা রুপালি বার্চগাছের। পায়ের কাছে ফিওর্ডের জল। বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা এই দেশগুলোর কবিতা তাই এক অদ্ভুত প্রশান্ত রূপের প্রতিচ্ছবি। এইসব দেশের কবিরা অনুপ্রেরণা পান প্রকৃতি থেকে—পান শক্তি ঘন বন, নীল হ্রদ, আর অরোরার নেচে নেচে যাওয়া আলো থেকে। তাঁদের কবিতায় জীবনের প্যাস্টেল রঙের ফুল ফোটে—হালকা নীল-বেগুনি-গোলাপি-সাদা।

আমার সামনে আর কোনো স্টেশন নাই
সমস্ত শক্তি কণ্ঠে জড়ো করে আমি ড্রাইভারকে গাড়ি থামাতে বলি ড্রাইভার আমাকে ভ্রুক্ষেপ করে না তাচ্ছিল্য নিয়ে বলে, সামনের স্টেশনে নামেন আমার সামনে আর কোনো স্টেশন নাই!!

প্রযুক্তি, অনুবাদ ও মানবিকতার নতুন দিগন্ত
অতএব বিশ্বসাহিত্যের ভবিষ্যৎ কোনো একক পথে এগোবে না। এটি হবে বহু ভাষার, বহু অভিজ্ঞতার ও বহু কণ্ঠের বিস্তৃত পরিসর। কিন্তু সবকিছুর কেন্দ্রে থাকবে মানুষের প্রশ্ন—আমি কে, অন্য মানুষকে কীভাবে বুঝব, সময়ের সঙ্গে কীভাবে বাঁচব, ভয় আর আশা কীভাবে একসঙ্গে ধারণ করব। সাহিত্য এই প্রশ্নগুলোর সরল উত্তর দেয় না। তবে সে প্রশ্নগুলোকে বাঁচিয়ে রাখে। আর প্রশ্নকে বাঁচিয়ে রাখাই সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্য করে তোলে।

কেন বুদ্ধকে ছেড়ে গেল সিদ্ধার্থ
সিদ্ধার্থ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট, কাহিনি, চরিত্র ও সাধনা ভারতীয় কিংবা বৌদ্ধধর্মের আদর্শভিত্তিক হলেও হেরমান হেসে জীবনকে অনুসন্ধান করেছেন ইউরোপীয় চিন্তাচেতনার আলোকে। তাই তিনি খোলনলচে পাল্টে দিয়েছেন অনেক কিছুর। যেমন গৌতম বুদ্ধের অপর নাম সিদ্ধার্থ হলেও উপন্যাসে দুজনে ভিন্ন ও বিপরীত মতাদর্শের মানুষ।

কাজী নজরুল ইসলাম: বিদ্রোহ, মানবতা ও সৃষ্টিশক্তির দ্বৈতসত্তা
কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি সাংস্কৃতিক চেতনায় এমন এক নাম, যা একই সঙ্গে আবেগ, ইতিহাস, বিদ্রোহ এবং জনমানসের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুই বাংলাতেই তাঁর নাম উচ্চারিত হয় প্রবল ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাসে।

হেনরি সুসো: ঐশ্বরিক প্রেমের মরমি কবি
মধ্যযুগের এই ধর্মতাত্ত্বিক ও মরমি সাধক তাঁর আবেগঘন ও কাব্যিক আধ্যাত্মিক রচনার জন্য সুপরিচিত। সুসোর দর্শন ঈশ্বরপ্রেম ও কৃচ্ছ্রসাধনের এক গভীর মিশ্রণ।

আগুন থেকে আলোর পথে

মধু মাখানো কেক
‘তাই মধুতে মাসাকিচির থাবা ভরে যায়—এত বেশি মধু যে সে একা খেয়েও শেষ করতে পারে না। সে তাই মধুগুলো একটা বালতিতে ভরে নেয়।

এলিয়েন গরু
মকবুল সাহেব হতভম্ব হয়ে গরুর ব্যাপারীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। লোকটা রসিকতা করছে বলে মনে হলো না। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, লোকটা তাঁর সামনেই তাঁর মতো গরু কিনতে আসা আরও দুজনকে ওই একই পরামর্শ দিল।

এল আজুল সোলো

মূক ও মুখোশ
সেদিন আমি চিকেন টিক্কা-তন্দুরি কিনতে গেছিলাম, নাকি চিকেন ঝাল ফ্রাই আর পরোটা, তাতে কিছুই যায় আসে না। আসল কথা হলো, রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমি কী শুনেছিলাম।