ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের তেল উপমন্ত্রী আলি মারিজ আল-বাহাদলি এবং ইরানপন্থী মিলিশিয়া নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অভিযোগ, তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ইরানকে তেল চোরাচালানে সাহায্য করছে। এ সময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র।
লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার প্রথম পর্ব শুরু করতে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন।
গত বৃহস্পতিবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কিছুটা বাড়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাহাজ অনুমতি নিয়ে প্রণালি অতিক্রম করলেও শনিবার পর্যন্ত হরমুজ পার হতে পারেনি বাংলার জয়যাত্রা।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রকে নিজ দেশের ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ট্রাম্পের ইসরায়েলপন্থী নীতি নিয়ে মার্কিন জনমনে বাড়ছে ক্ষোভ বলে তিনি মনে করেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এক মাস ধরে চলছে।
বিশ্বকাপের আগে থেকেই ইরানকে দেশে ভিড়তে দিতে চাইছিল না যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ফিফার নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্বকাপের তিনটি ম্যাচই ইরান খেলছে যুক্তরাষ্ট্রে।
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। সোমবার (২০ জুলাই) ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটির এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নতুন দিকে মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, ইয়ে
হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বের মধ্যে নতুন আলোচনার পথ ও বিকল্প উদ্যোগ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ এবং ওমানের প্রস্তাব।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের হামলা ও পাল্টাপাল্টির পর উত্তেজনা আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
মঞ্চের বাইরে পর্দায় জেমস যতটা মিতভাষী, এ দিন আড্ডায় যেন জেমস ছিল তার উল্টো, দেশ, রাজনীতি অর্থনীতি থেকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ, তেলসংকট—সবকিছুই উঠেছে আড্ডায়।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও রাজধানীতে তেলের দীর্ঘ লাইন। প্রাইভেট কার চালকরা দুই দফায় ১৯ ঘণ্টা অপেক্ষা করে তেল পেয়েছেন। ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল ও কারের বিপুল সংখ্যক সারি লেগেছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ওপেকভুক্ত ও তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদক ইরানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকেই সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে।