ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের টানাপোড়েন থেকে বেরিয়ে আসতে নতুন ধরনের চিন্তাভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। গত বুধবার এক মার্কিন হামলার প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের প্রতি আরও ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকি দিলেও আলোচনার পথ স্পষ্ট নয় বলে মত দিচ্ছেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টাগুলো কাঙ্ক্ষিত ফল আনতে পারেনি—এমন মূল্যায়নের সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলেন, হরমুজ প্রণালি ‘নো-গো জোন’ হলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং তেল সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ইউরোপেও এলএনজি সংকট দেখা দিতে পারে বলেও তাদের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

সিএনএন/এসএসআরএস জরিপের ফলাফলে ট্রাম্পের ইরান নীতির পক্ষে জনসমর্থন ৩০ শতাংশের নিচে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে লাইল গোল্ডস্টিন বলেন, ‘আমরা গভীর উভয় সংকটে আছি।’

এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে ওমান একটি ‘সামুদ্রিক পরিষেবা ফি’র প্রস্তাব দিয়েছে।