ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় রামপাল কীভাবে ক্যানসার চিকিৎসাসেবায় নতুন পথ দেখাতে পারছে
রামপালে আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স ও ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম সাপোর্ট পরিকল্পনাটি গুরুত্বপূর্ণ।
রামপালে আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স ও ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম সাপোর্ট পরিকল্পনাটি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের বড় অঙ্কের টাকা লুট ও পাচার প্রমাণিত। তাদের শাস্তি দিয়ে সকলের শিক্ষা দিতে হবে এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে টাকা আদায় করতে হবে। নতুন সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি।
বরেন্দ্র অঞ্চলে নির্বিচার সেচের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমেছে। আইন লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে, যা পানিসংকট বাড়িয়েছে। সরকারকে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি খাঁড়ি-পুকুর পুনরুদ্ধার করে বিকল্প উৎস তৈরি করতে হবে।
বিবিএস তথ্য অনুসারে এপ্রিলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৯.০৪% এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৩৯%-এ উঠেছে। গ্রামে ৯.০৫% এবং শহরে ৯.০২% হয়েছে মূল্যস্ফীতি। নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ায় সমন্বিত নীতি ও সুরক্ষা কর্মসূচির প্রয়োজন।
নতুন সরকারের সামনে রয়েছে জন–আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক সুরক্ষার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ। অন্যদিকে একটি দুর্বল রাজস্ব কাঠামো, যা পুরোনো চিন্তায় বন্দী।
জলাবদ্ধতা একটি সমন্বিত ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের বিষয়। খাল, নালা, জলাধার, নদী, জোয়ার-ভাটা—সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে।
আপাতত এটি একটি ‘নিরীহ উদ্যোগ’ মনে হলেও উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্বের পরিধি বিবেচনায় এ উদ্যোগকে ‘নিরীহভাবে’ দেখার সুযোগ নেই।
সরকার নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। তাতে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সরকারের ভর্তুকি কিছুটা কমবে।
সমাজে ফ্যাসিবাদী চিন্তা ও মব সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে ক্ষমতাসীনদের পৃষ্ঠপোষকতায়। শাহবাগ-কুষ্টিয়া হামলা পরিকল্পিত ছিল, সরকারের দায় রয়েছে। বিচার না হলে এর পেছনে সমর্থনের ছাপ পড়বে।
ভারতের বিজেপি নেতা অমিত শাহের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে উত্তেজনা। তথাকথিত অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে চিহ্নিত করে এ ভাষা ঐতিহাসিক অমানবিকীকরণের সঙ্গে তুলনীয়। এর পেছনে চার্চিলের মতো ঔপনিবেশিক মানসিকতার ছায়া দেখা যাচ্ছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ সংসদে বাতিলের পর পুরোনো আইন পুনর্বহাল হয়েছে। এতে কমিশনের ক্ষমতা ও নিরপেক্ষতা হ্রাস পাবে বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ। বিচারক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে না, সংসদে আইন প্রণয়নের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জরুরি। অধ্যাদেশের অভাবে সরকারের অঙ্গীকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এটি শাহদীন মালিকের মতামত।