নতুন আবেদন নেই, জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৪৩
গেজেট হয়েছিল ৮৫৬ জনের। যাচাই-বাছাইয়ের পর বেশ কয়েকজনের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
গেজেট হয়েছিল ৮৫৬ জনের। যাচাই-বাছাইয়ের পর বেশ কয়েকজনের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বুক উন্মুক্ত করে, দুহাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন সশস্ত্র রাষ্ট্রের মুখোমুখি। একটার পর একটা গুলি। তারপর মৃত্যু। কিন্তু সেই মুহূর্তের যে ছবি, তা আর কেবল একজন তরুণের ছবি থাকেনি; সেটি পরিণত হয়েছে প্রতিবাদ, সাহস, আত্মত্যাগ এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতীকে।
ঢাকার বাইরেও এদিন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
মৈত্রী হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও জুলাই আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক নিশিতা জামান বলেন, ‘জুলাই আমাদের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাত্রলীগমুক্ত হওয়াতেই শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
১৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর লিগ্যাসি: জবাবদিহি, সংস্কার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক জুলাই বিপ্লব সম্মেলন।
জুলাইয়ের শহীদেরা একাত্তরের শহীদদের বাস্তব অনুসারী এবং রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
জুলাই সনদের গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১৬ জুলাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
ফেনী সরকারি কলেজে জুলাই শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিমের ছবি ব্যানারে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মঞ্চের ব্যানার খুলে নেন।
বিরোধী দলের সমালোচনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি বলেছেন, সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করবে।