মা ও ছেলের যৌথ সাফল্য: একসঙ্গে এসএসসি দিয়ে জিপিএ-৫
রাজশাহীর সাদিয়া বেগম ও তাঁর ছেলে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
রাজশাহীর সাদিয়া বেগম ও তাঁর ছেলে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
খুলনার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল হতাশাজনক, কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া আক্কাস আলী হাই স্কুলের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে হতাশা, ৩২ জনের মধ্যে পাস মাত্র ১ জন।
সংসারের টানাপোড়েন ও পেশাগত ব্যস্ততা কাটিয়ে ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬২ পেয়ে উত্তীর্ণ হলেন ভোলাহাটের কাঠমিস্ত্রি মো. নাসিমুল হক।
লোডশেডিংয়ের প্রতিকূলতা কাটিয়ে মোমবাতির আলোয় পড়াশোনা করে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন কুমিল্লার মনোহরপুর হাই স্কুলের শিক্ষার্থী সাইয়েদা ইয়াশফী আবেদীন (সাওদা)।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে।
কুড়িগ্রামের চারটি বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শিক্ষক সংকট ও শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতিকে এর কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অংশগ্রহণকারী ৪৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমসের ৩৮২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় ৫০ হাজার ৪৩৬ জন ফেল করেছেন। মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম (৫০.৬১%) এবং সামগ্রিক পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে ৬৬.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শতভাগ পাস করা বিদ্যালয়ের সংখ্যাও।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮টি বিদ্যালয়ের ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন, যা নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।