লন্ডনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস উদ্বোধন
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস চালু হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস চালু হয়েছে।
কিন্তু আজ, যখন ফিলিস্তিনের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে, তখন যেন সেই সব নীতির ভিত্তিই নড়ে গেছে।
লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপের নিষিদ্ধকরণের বিরোধিতায় বিক্ষোভ হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ ৫২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে উচ্চ আদালত এই নিষেধাজ্ঞাকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিলেন।
পশ্চিম তীরের একমাত্র খ্রিষ্টান শহর তাইবেহে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, জমি দখল ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সফর ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মীরা। তাঁরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের সাংগঠনিক রদবদল করছে হামাস। তারা ‘সরকারি জরুরি কমিটি’ ভেঙে বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব ‘গাজার প্রশাসনের জাতীয় কমিটি’র হাতে দেওয়ার কথা বলছে।
গাজা সিটির আল-সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় মিসরীয় ত্রাণ কমিটির জনসংযোগ পরিচালক মোহাম্মদ ফাওয়াজ আল-ওয়াহিদি ও এক শিশুসহ আরও দুজন নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি মেনে একতরফা নিরস্ত্রীকরণের কোনো প্রতিশ্রুতি না দিলেও গাজার শাসনভার ছাড়তে প্রস্তুত হামাস। তারা যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ এলাকার দখল নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে গাজার ৬০ শতাংশ এলাকায় ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
সপ্তাহখানেক বাদেই পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা। সময়টা উৎসব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের হলেও মন ভালো নেই নাজিয়ার।
শিরিন আবু আকলেহর হত্যার চার বছর পার হয়েছে, কিন্তু বিচার হয়নি। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই দায়মুক্তি ইসরায়েলকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। গাজা, লেবানন ও পশ্চিম তীরে শত শত সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।