উজানের ঢলে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি
উজানের পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে লালমনিরহাটের দোয়ানী পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
উজানের পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে লালমনিরহাটের দোয়ানী পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। রোববার বেলা তিনটায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারী বৃষ্টিতে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫টি চর ও গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলের অনেক নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা সহনীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে আগেই।
সুনামগঞ্জে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে জেলার হাওরগুলোতেও পানি বেড়ে দ্রুত জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
উজানের ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন। গত দুই সপ্তাহে পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে অর্ধশতাধিক কৃষকের প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমি। চলতি মৌসুমের বিভিন্ন ফসলসহ ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পদ্মাপাড়ের মানুষ। প্রতিবছর ভাঙনে সর্বস্বান্ত হলেও
উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ৫টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সড়ক ও ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।
দানিউব নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় রিয়্যাক্টর ঠান্ডা রাখার প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে হাঙ্গেরির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র 'পাকস' বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।
কর্ণফুলী নদীর মোহনায় দাঁড়ালেই দূষণের চিত্র চোখে পড়ে। পানির ওপর ভাসছে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, বোতলের ঢাকনা, শোলা, ছেঁড়া স্যান্ডেল, মাছ ধরার জালের টুকরা—আরও কত কী। সদরঘাট এলাকায় গিয়ে সেই দৃশ্য আরও প্রকট। নদীর পানি কালচে। কোথাও কোথাও দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে। শহরের বিভিন্ন খাল বেয়ে আসা বর্জ্য নদীর বুকে ছোট ছোট স্তূপ তৈরি করেছে।