ছয় মাস পর নিয়মিত মহাপরিচালক পাচ্ছে মাউশি, আলোচনায় খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ
প্রায় ছয় মাস পর নিয়মিত মহাপরিচালক পেল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
প্রায় ছয় মাস পর নিয়মিত মহাপরিচালক পেল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) করা হয়। তিনটি শর্তে তাঁকে মহাপরিচালক করা হয়েছে।
বাংলা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপর মূল্যায়ন পরিচালিত হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯০ শিক্ষার্থী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।
নবনিযুক্ত শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, কারিকুলাম পর্যালোচনা করা হবে।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহনশীলতা, নৈতিকতা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চার মাধ্যমে সমাজে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে এই প্রোগ্রামের অনুমোদন দিয়েছে। এটি দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আইইউবিএটিতে আন্তর্জাতিক বৃত্তিবিষয়ক সেমিনারে উচ্চশিক্ষা এবং ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সুযোগ নিয়ে আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে মাসব্যাপী চলছে রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচনব্যবস্থা, সংবিধান ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা। কিন্তু একটি বিষয় তুলনামূলকভাবে কম আলোচনায় এসেছে—উচ্চশিক্ষা। আমাদের ক্যাম্পাসগুলো জুলাইয়ের প্রাণকেন্দ্র ছিল এবং থাকবে। কিন্তু তার চেয়ে বড় বাস্তবতা হলো দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কম নয়।
উচ্চশিক্ষা, একাডেমিক নেতৃত্ব ও আর্থিক সুশাসনে অভিজ্ঞ ড. ক্লেয়ার গর্ডন, মাসুদ খান ও অধ্যাপক ইমরান রহমান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজে নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; প্রতিটি প্রজন্মই একে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছে।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা কি শুধু চাকরিপ্রার্থী তৈরি করবে, নাকি নতুন উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী নেতৃত্বও তৈরি করবে—এই প্রশ্ন এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।