ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজে নতুন তিন সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন ড. ক্লেয়ার গর্ডন, মাসুদ খান এবং অধ্যাপক ইমরান রহমান। উচ্চশিক্ষা, একাডেমিক নেতৃত্ব, আর্থিক সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তাঁদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

নতুন নিযুক্ত সদস্যদের মধ্যে ড. ক্লেয়ার গর্ডন লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের (এলএসই) এডেন সেন্টার ফর এডুকেশন এনহ্যান্সমেন্টের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাসুদ খান বর্তমানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং তিনি ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান। এছাড়া অধ্যাপক ইমরান রহমান ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সাবেক উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জানানো, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই তিন সদস্যের নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

এই বিষয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অভিজ্ঞ তিনজন ব্যক্তিকে বোর্ড অব ট্রাস্টিজে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। উচ্চশিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, আর্থিক সুশাসন এবং প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করবে।’

ড. ক্লেয়ার গর্ডন দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা উন্নয়ন, কারিকুলাম সমৃদ্ধকরণ, শিক্ষক ও একাডেমিক কর্মীদের পেশাগত উন্নয়ন, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চা নিয়ে কাজ করছেন। এলএসইতে টিচিং ও লার্নিংয়ে উদ্ভাবনের পাশাপাশি শিক্ষায় জেনারেটিভ এআই সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তাঁর বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

অন্যদিকে, মাসুদ খানের কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে বহুজাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসন, পুঁজিবাজার, অডিট তত্ত্বাবধান এবং বোর্ড পরিচালনায়।

অধ্যাপক ইমরান রহমানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, ব্যবসায় শিক্ষা, একাডেমিক সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে। ইউল্যাবের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক পদে কর্মরত ছিলেন।