ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা আসনগুলো ১০ দলের মধ্যে সমঝোতায় বণ্টন: মামুনুল হক
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘ইসলামের স্বার্থে আমাদের একক পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিএনপির উপর ‘অতিসাংবিধানিকতা’র অভিযোগ তুলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। দলের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ সংবিধানের প্রতি অতিভক্তি বন্ধ করে গণরায় মেনে চলার আহ্বান জানান। তারা গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে সরকারের দ্বিমুখী অবস্থানকেও সমালোচনা করেছে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে তাঁদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করেন বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেলা দুইটার দিকে চরফ্যাশন প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে।
ফ্যাসিবাদের পতনের পরই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রত্যাশিত ছিল বলে মন্তব্য করেছন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেওয়া এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। গাজী আতাউর রহমান বলেন, অবশেষে সাহাবুদ্দিন চ
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও উচ্চকক্ষ গঠনসহ সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম সন্তোষজনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, সরকার স্বৈরতন্ত্র বন্ধকারী অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে পতিত স্বৈরাচারের পথে হাঁটছে। গণভোট, মানবাধিকার ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সরকারকে অধ্যাদেশগুলো দ্রুত অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছে।
আসন সমঝোতার আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামি দল এক মোর্চায়, বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ভোট করছে।