
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার ‘অবিচ্ছেদ্য অংশ’: ইরান
গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিচুক্তির ঘোষণা ইসরায়েল মোটেও সহজভাবে নেবে না।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর যৌন নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে

ইসরায়েলের ছয়টি ডানপন্থী সংগঠন এবং একজন উগ্র ডানপন্থী অধিকারকর্মীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ পাঁচ দেশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ভালো বন্ধু’ এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করার পর ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।

পাল্টাপাল্টি হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, শান্তি প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষক গোল্ডবার্গ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া পূর্ণমাত্রার সংঘাতে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় ইসরায়েল নেই।