
অনিয়ম, অনাচারের বিরুদ্ধাচরণ করাই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অংশ
নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের ৪৫ বছর পূর্তি ও বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন রফিকুন নবী।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের ৪৫ বছর পূর্তি ও বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন রফিকুন নবী।

কোথাও চলছে বলীখেলা, কোথাও বউছি। আবার কোথাও আয়োজন করা হয়েছে পুতুলনাচ। নাচ-গান-আবৃত্তি নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তো রয়েছেই। দিনভর এমন সব আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যাপিত হয়েছে পয়লা বৈশাখ।

টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার দুপুরে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তিনি কৃষক কার্ডের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড স্মাগলিং অব মাইগ্র্যান্টস’ শীর্ষক সার্টিফিকেট কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়েছে।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চলছে দিনব্যাপী মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব।

ছায়ানটের এবারের এ আয়োজনের মূল ভাবনা ছিল ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।

রাজধানীর মীনা বাজারের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ধানমন্ডি ২৭–এর প্রধান সড়ক ঘুরে আবার মীনা বাজারের সামনে এসে শেষ হয়।

চট্টগ্রামে পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা, গান-নাচ ও আলপনায় উদযাপন। ডিসি হিল, সিআরবি শিরীষতলা ও শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন অনুষ্ঠান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল আটটায় সার্কিট হাউস থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে।

সাউথ ক্যারোলাইনায় বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীরা ১২ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে। কেদার চন্দ্র দাস ও অপর্ণা দেবনাথের বাসভবনে রূপ নেয় এক টুকরা বাংলাদেশ। প্রবাসে স্মৃতি ও শিকড়ের আলিঙ্গনে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব শুরু হয়েছে গানের সুরে। রাজধানীর শেফস্ টেবিল কোর্টসাইডে দিনব্যাপী লোকজ প্রদর্শনী, খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসব বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী ‘এসো হে বৈশাখ’ গানে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করেছে শিশুপার্কের সামনে। সংগীতশিল্পী সমর বড়ুয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন রফিকুল আলম। এটি ৪৩তম বর্ষবরণ এবং ফকির আলমগীরকে উৎসর্গকৃত।

আজ পয়লা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের আহ্বান জানানো হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। নতুন বছর সবার জন্য সমৃদ্ধি ও শুভকামনা নিয়ে এসেছে।