
‘সম্পত্তি গেলে যাক, ছেলেকে তো আর বুকে নিতে পারব না’
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বড়দের জমির বিরোধে খুন হওয়া শিশু আবদুল্লাহর বাড়িতে আহাজারি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বড়দের জমির বিরোধে খুন হওয়া শিশু আবদুল্লাহর বাড়িতে আহাজারি

শ্বশুরবাড়ির উপহারে কর, তবে ভাই বোনের উপহারে ছাড়

একসময়ের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরবঙ্গ আজ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত। মাঠের পর মাঠ আবাদযোগ্য জমি থাকলেও সেখানে প্রাণ দেওয়ার মতো পানি নেই।

বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের সামনে রেল বিভাগের জমি দখল করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

সীতাকুণ্ডে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালে। সে বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১৩ শতক জমিতে ১ হাজার ২০০ চারা লাগানো হয়। রঙের ভিন্নতার কারণে খুব দ্রুত স্থানীয় বাজারে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যার কারণে পরের বছর থেকে চাষাবাদও বেড়ে যায়। ২০২৪ সালে চাষাবাদ হয় ৩ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে সীতাকুণ্ডের ৪ হেক্টর জমিতে রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হরিপুর এলাকার ধানি জমির খোলা মাঠে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শীতকালীন গ্রামীণ ঐতিহ্য হিসেবে এ আয়োজন করে হরিপুর, ভাটিয়াপাড়া ও পাথালিয়া এলাকাবাসী।

যশোরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে যশোরের চৌগাছা উপজেলার সলুয়া কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই এলাকাটির নাম-জঙ্গল সলিমপুর। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা। সরকারি খাসজমি হওয়ায় এলাকাটিতে কারাগার, আইটি পার্ক নির্মাণসহ ১১টি প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। তবে বেহাত হওয়া সরকারি জায়গাগুলো পুনরুদ্ধার করতে না পারায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে জমি ও স্থাপনা দেখভালে রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাবুডাইং গ্রামের কোল জাতিসত্তার পাঁচ পরিবারের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় গত বছরের ২৭ অক্টোবর।

সকাল ৯টায় সরেজমিনে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নিজামপুর বাজারে পদচারী–সেতুর নিচে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে কাত হয়ে আছে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি।

দেখা যায়, মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সন্তানদের মাঝে জমি বা সম্পদ বণ্টন করে দিতে চান। এক্ষেত্রে সাধারণ প্রবণতা হলো মিরাসের নিয়মে ছেলেকে মেয়ের দ্বিগুণ দেওয়া।