
গুচ্ছকবিতা :: নীলিমা শিরীন
মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।

মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।

লেখক সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বিখ্যাত উক্তিটি স্মরণ করিয়ে দেন: ‘রাইটিং ইজ নাথিং আদার দ্যান আ গাইডেড ড্রিম’; অর্থাৎ লেখালিখি নিয়ন্ত্রিত স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়।

‘যদি জানতে পারতিস সেদিন আমার চোখের কথা কে জানিয়েছিল মিলিটারিকে, তুই কী করতিস?’

এই আয়োজনের সুবাদে আমরা কয়েকজন শিল্পীর সান্নিধ্যে কাটালাম স্মরণীয় একটি সন্ধ্যা। আয়োজক চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্প-সমঝদার ও পৃষ্ঠপোষক তারিকুল ইসলাম।

বাবা মাঝেমধ্যে কারাগারের দেয়ালে হেলান দিয়ে সুরা ইয়াসিন পড়েন। পুরোটা পড়তে পারেন না। ইজরায়েলি বাহিনীরা তিলাওয়াত শুনে তেড়ে আসেন।

২০১৪ সালে তৈরি ওই ডকুমেন্টারিতে হিব্রুতে লেখা তাঁদের প্রেমপত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা বেন-আমি বহুকাল যত্ন করে রেখে দিয়েছিলেন।

প্রদগ্ধ হৃদয়—সে–ও অন্ধ বাদুড় এক—প্রক্ষেপণ করে শ্রুতির অধিক প্লুতস্বর— সংবিগ্ন স্যানিটোরিয়াম, নিক্রপলিসের কোনো মর্মর দেয়ালে…

হামেদ গাড়িয়ালের অল্প বয়স। তা বিশও হতে পারে, বাইশও। তাদের বাবা ছগির গাড়িয়ালও ছিল এ এলাকায় অতিবিখ্যাত।

তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—

শহীদ সাবের একাত্তরে চলে গেছেন। যদি না যেতেন, যদি থাকতেন, তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে তাহলে কি তার অবস্থা ও অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসত?

বুকে প্রেক ঠুকে ঠুকে শীতল দাহের পর কবেকার প্রেমপত্রখানি পড়ে চোখে

যুদ্ধের প্রথম হপ্তাতেই সংবাদ অফিসে আগুন দিল। সাবের ভাই আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেলেন। ফিনিস। কয়লার টুকরা দেখে আজরাইল ফেরেশতাও কেঁদে ফেলল।