বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আবার উৎপাদন শুরু
কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে গিয়েছিল। ১ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে গিয়েছিল। ১ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে গ্রীষ্মের আগেই লোডশেডিং শুরু হয়েছে। চাহিদার দ্বিগুণ ২৯ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা থাকলেও গ্রামে ঢাকার চেয়ে বেশি কাটতি হচ্ছে। সরকার সাশ্রয়ের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের একটি ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটিতে চার দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট আবার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে।
আগুন লাগার স্থান স্ক্র্যাপ ইয়ার্ড থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান।
পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট আগামী ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রটিতে...
সিপিডির সমীক্ষায় দেখা গেছে, পোশাক কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৪ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।
জামালপুর ও পার্শ্ববর্তী ১৮টি উপজেলার প্রায় ৮ লাখ গ্রাহক তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন। দৈনিক ১৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ায় দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের ফলে জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
চাহিদার তুলনায় ৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে খুলনা মহানগরী ও জেলাজুড়ে তীব্র লোডশেডিং চলছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে, যা বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
টাঙ্গাইলে ৩৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২২৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিল্পোদ্যোক্তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।