রোদ উঠলেও শঙ্কা কাটেনি হাওরে, ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তা
চার দিনের বৃষ্টি শেষে দেখা দিয়েছিল রোদ। কিষান–কিষানিরা দলে দলে বেরিয়ে পড়েছিলেন ঘরের বাইরে।
চার দিনের বৃষ্টি শেষে দেখা দিয়েছিল রোদ। কিষান–কিষানিরা দলে দলে বেরিয়ে পড়েছিলেন ঘরের বাইরে।
অভিনেত্রী সাবিলা নূর এসেছেন মেজো আমালি বাই সাগুফতা আলীর ডিজাইন করা রুপালি গাউন পরে। ১০ জন শিল্পী প্রায় ২৫০ ঘণ্টা পরিশ্রম করে তৈরি করেছেন রূপালি গাউনটি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের মানুষ কয়েক বছর আগেও পাথরকেন্দ্রিক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁরা আমন ধান ছাড়া কিছুই চাষ করতেন না। এখন গ্রামটিতে রীতিমতো সবুজের বিপ্লব চলছে। এর নায়ক মো. মনিরুজ্জামান।
শনিবার সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার এএসআই ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে ধান উৎপাদন কমে গিয়ে পানের বরজ বাড়ছে। একসময় শ্রমিকের কাজ করা মানুষসহ কৃষকেরা বাড়ির পাশে ও আঙিনায় পানচাষে নতুন আয়ের পথ খুঁজছেন—এমন তথ্য উঠে এসেছে।
তিন ধরনের ‘বন্যা’ হয় হাওরে। উকিল মুন্সীর গানের মতো ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’ সাধারণ ঋতুভিত্তিক বন্যা।
পটুয়াখালীতে চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৪ হেক্টর জমিতে নানা জাতের ফসল আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে হওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৩৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মেহেরপুরের গাংনীতে দুই দিনের ব্যবধানে গমের নাড়া পোড়াতে গিয়ে দ্বিতীয় অগ্নিকাণ্ড ঘটে, চোখতোলা মাঠে ১৫ বিঘা ফসল পুড়ে যায়। কৃষকরা ঋণ-ধারের ফসল হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কর্তৃপক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওরে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে দুটি বিলের প্রায় ১০০ বিঘা জমির আধা পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। আশপাশের আরও দুটি বিলের ২০০ বিঘা ফসল ঝুঁকিতে রয়েছে। কৃষকেরা উদ্বিগ্ন হয়ে ফসল রক্ষার চেষ্টা করছেন।
কৃষাণের জীবনের শরিক হয়ে তাঁদের সত্য আত্মীয়তা অর্জন করেছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য। অথচ তাঁর জন্ম নগরে, ফসলের খেত আর ফসল ফলানো কৃষক থেকে বহু দূরে তাঁর সামাজিক অবস্থান। কৃষকের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও লড়াইকে চেতনায় ধারণ করে তিনি উপহার দিয়েছেন অসামান্য সব কবিতা।
বিবিএস-এর এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের বার্ষিক নিট আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে পশুপালন খাত থেকে, যা ফসল চাষের তুলনায় অনেক বেশি।
টানা বর্ষণে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার ৪০০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। এতে জেলার চার হাজার ৯৬১ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলা। সেখানে ১৬৮ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ৩ হাজার ২০০ কৃষক।