বাংলাদেশে ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু শ্রমিক রয়েছে, যার মধ্যে ১০ লাখ ৭০ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে।
উপস্থাপনায় বলা হয়, দেশে চট্টগ্রাম বিভাগে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ, যা প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার। এর পরে রয়েছে ঢাকা বিভাগ।
উপস্থাপনায় বলা হয়, দেশে চট্টগ্রাম বিভাগে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ, যা প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার। এর পরে রয়েছে ঢাকা বিভাগ।
র্যাপিড আরও বলছে, সরকারঘোষিত ৪১ লাখ দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হলে দারিদ্র্যের হার এক ধাক্কায় ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নামবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের বড় অনুযোগ হলো, বর্তমান সরকার বাজেটের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ছলচাতুরী করেছে। তাতে আমরা খুবই মর্মাহত।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৫ সালে নতুন করে ১৪ লাখ মানুষ গরিব হয়েছেন। আজ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনের এপ্রিল সংস্করণ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং ইউরোপের চাকচিক্যময় জীবনের মোহে জীবনঝুঁকি নিয়ে স্পেনে পাড়ি জমাচ্ছেন মরক্কোর তরুণরা।
দারিদ্র্য বিমোচনের নামে এনজিওরা গরিবদের ঋণের জালে আটকাচ্ছে বলে অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ সতর্ক করেছেন। বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির আয়োজনে ‘বাজেট ২০২৬-২৭’ নিয়ে সভায় গ্রামীণ মজুরদের রেশন, পেনশন, ন্যায্য মজুরির দাবি উঠেছে। বক্তারা খাসজমি অধিকার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ করেন।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে আরব অঞ্চলের জিডিপি ৩.৭ থেকে ৬ শতাংশ কমে ১২০-১৯৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির আশঙ্কা করেছে ইউএনডিপি। বেকারত্ব ৪ শতাংশ পয়েন্ট বাড়তে পারে, ৩৬ লাখ চাকরি যেতে পারে এবং ৪০ লাখ নতুন দারিদ্র্যে পড়তে পারেন। লেভান্ত অঞ্চলে দারিদ্র্য সবচেয়ে বেশি বাড়বে।
কাজ ও মানব উন্নয়ন পরস্পর পরস্পরকে জোরদার করে। কর্মনিয়োজন মানুষের আয় ও জীবিকা নিশ্চিত করে, দারিদ্র্য কমায়, ন্যায্য প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং মানব উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়।
প্রায়ই দেখা যায়, মসজিদ নির্মাণ, মিনারের সৌন্দর্যবর্ধন কিংবা মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার ও দৈনন্দিন পরিচালনা খরচের জন্য জাকাতের ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদান করা হয়।
আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি, যার লক্ষ্য ৪ বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা করা।
উত্তাল পদ্মায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয়েছেন রাজশাহীর শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায় কাওসার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল ইসলাম।
জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তি ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে এমন বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার কেনার সামর্থ্য নেই বিশ্বের ২৬৯ কোটি মানুষের।