
বিদ্রোহী প্রার্থীরা না সরলে ব্যবস্থা নেবে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি দলের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি দলের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ঝালকাঠির দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাইয়ে টিকে যাওয়ার পর ভোটারদের আস্থা অর্জনে দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৪৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ১৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন–সংবলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে যুক্ত করা–সংক্রান্ত আদেশের বিধানের বৈধতা পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় ও সম্পদ রয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবুল কালামের। সম্পদশালীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এনসিপি প্রার্থী। তাঁরা দুজনই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সাচিংপ্রু জেরী ২০১৮ সালেও প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁর আয় ওই সময়ের তুলনায় দেড় গুণ এবং সম্পদ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে অনিচ্ছাকৃত তথ্যের ভুল ছিল, যা সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়–১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম।

হিসাব করে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যয় করবেন ৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৪২৭ টাকা।

কুষ্টিয়ায় একমাত্র নারী প্রার্থী মোছা. রুম্পা খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মজিবুর রহমানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। এর মধ্যে টেলিভিশনে টক শো করেই তিনি আয় করেছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাঁর বার্ষিক আয়ের প্রায় অর্ধেক।